শনিবার পাক সংসদে সহজেই আস্থাভোটে জয়ী হলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সম্প্রতি, পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী আবদুল হাফিজ শেখ পাকিস্তানের সেনেট নির্বাচনে পরাজিত হন। তারপরই দেশজুড়ে ইমরানের পদত্যাগের দাবি উঠেছিল। সেনা প্রধান এবং পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর প্রধানের সঙ্গে আলোচনা করে বৃহস্পতিবার, তিনি জানান,   তিনি তাঁর সরকারের শক্তি প্রদর্শন করে চান।

এদিন, সেই আস্থাভোটের জন্যই পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের বিশেষ অধিবেশন বসেছিল। ৩৪২ সদস্যের জাতীয় পরিষদে সরকারে থাকার জন্য ইমরানের প্রয়োজন ছিল ১৭২টি ভোট। এদিন তিনি পেয়েছেন, ১৭৮টি ভোট। মজার বিষয়, ২০১৮ সালে ক্ষমতায় আসার সময় আস্থাভোটে ইমরান খান এর থেকে ২টি কম, অর্থাৎ ১৭৬টি ভোট পেয়েছিলেন। সেই সময় জাতীয় পরিষদে ক্ষমতাসীন জোটের ১৮১ জন সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তার এক সাংসদ পদত্যাগ করায় শক্তি কমে দাঁড়িয়েছে ১৮০-তে। অপরদিকে বিরোধী জোটের হাতে রয়েছে ১৬০ জন সাংসদ। একটি আসন খালি আছে।

ইমরাণ খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (PTI)-এর জাতীয় পরিষদে  ১৫৭ জন সদস্য ছিল, একজনের পদত্যাগে এখন তা ১৫৬ জনে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে এদিনের জয়ের পরও ইমরান যে ২০২৩ পর্যন্ত সরকারে থাকার বিষয়ে নিশ্চিন্ত বলেন, এমনটা বলা যাচ্ছে না। এদিনের আস্থা ভোটে অংশ নেয়নি বিরোধী দলগুলির জোট, অর্থৎ, পাকিস্তান গণতান্ত্রিক আন্দোলন (PDM)। তারা আস্থা ভোট বয়কট করে। কিন্তু, সংসদের বাইরে তাদের পক্ষে যে বিপুল দনসমর্থন দেখা যাচ্ছে, তাতে করে আরও একবার মেয়াদের আগেই পাক সরকার ভেঙে যাওয়ার তীব্র সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।