Rawalpindi Viral Marriage: বরের বয়স ৭০, কনে মাত্র ২২। মানে মেয়ের বয়সী পাত্রীকে বিয়ে করলেন বৃদ্ধ বর। বিয়ের পর পাত্র হাকিম বাবরের দাবি, তিনি আল্লার নির্দেশ এবং নবীর সুন্নত পালন করেছেন। 

Rawalpindi Viral Marriage: বরের বয়স ৭০, কনে মাত্র ২২। মানে মেয়ের বয়সী পাত্রীকে বিয়ে করলেন বৃদ্ধ বর। বিয়ের পর পাত্র হাকিম বাবরের দাবি, তিনি আল্লার নির্দেশ এবং নবীর সুন্নত পালন করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কনে একজন বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়া মহিলা এবং ইসলামে ডিভোর্সি মহিলাকে বিয়ে করা অনুমোদিত, এবং সুন্নাহ অনুযায়ী তা পূণ্যের কাজ। এমন অসম বয়েসের বিয়ের ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি শহরে। জানা গিয়েছে, পাঞ্জাব প্রদেশের চাকলালা এলাকায় ৭০ বছর বয়সী হাকিম বাবর নামের এক ব্যক্তি ২২ বছরের এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন। পাত্র পেশায় তিনি হাকিম, অর্থাৎ ইউনানি ও ভেষজ চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। পাত্রী যখন পৃথিবীতে জন্মায়, তখন পাত্রের বয়স ছিল ৪৮! যা নিয়ে দার্শনিকদের মত ভঙ্গিতে ৭০ বছরের সদ্য বিবাহিত ব্যক্তি বলছেন, বয়স শুধুই একটা সংখ্যা মাত্র।

এই বিয়ে নিয়ে কী জানা যাচ্ছে?

স্থানীয় সূত্রে খবর, এটি মূলত প্রেমের বিয়ে। দু'জনের মধ্যে আগে থেকেই পরিচয় ছিল। পরে তা ভালোবাসায় পরিণত হয়। শেষে পরিবারের সম্মতিতেই নিকাহ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন হয়। পাত্র ও পাত্রীর মধ্যে বয়সের ব্যবধান প্রায় ৪৮ বছর। আর বয়েসের এই বড় ব্যবধানে নিয়েই শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। বিয়ের ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশে নিকাহর আয়োজন।

কী বললেন বর?

বিয়ের পর হাকিম বাবর দাবি করেছেন, তিনি আল্লাহর নির্দেশ এবং নবীর সুন্নত পালন করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কনে ডিভোর্সি এবং ইসলামে ডিভোর্সি নারীকে বিয়ে করা অনুমোদিত, বরং সুন্নাহ অনুযায়ী তা উত্তম কাজ। তিনি আরও বলেন, “বয়স শুধু একটা সংখ্যা। মন যদি তরুণ থাকে, তাহলেই যথেষ্ট।" তাঁর মতে, বিয়ের আসল বিষয় হল ভালবাসা, বিশ্বাস আর দুজনের মধ্যে সম্পর্কের বৈধতা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া

এই অসম বয়সের বিয়ে নিয়ে পাকিস্তানজুড়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। এই নিয়ে কটাক্ষ করে মিমও ভাইরাল হচ্ছে। কেউ প্রেমকে সমর্থন করে দম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, আবার কেউ এত বড় বয়সের ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিছু রিপোর্টে এই বিয়েকে প্রেম ও পারিবারিক সম্মতির মিশ্রণ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে এবং ভাইরাল ভিডিওর মাধ্যমে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।