কথায় বলে শিল্পের কোনও নির্দিষ্ট স্থান-কাল-পাত্র হয় না। কথায় বলে শিল্পের নেই কোনও সীমানা। গুণের কদর দিকে দিকে বিশ্ব জুড়ে, সে কলমই হোক বা কন্ঠ, প্রতীভারা কোনও দিনই নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে আটকে থাকে না। তা দিকে দিকে সমাদৃত হয়। আর সেই গুণ. প্রতীভার নামই যখন হয়ে ওঠে রবীন্দ্রনাথ, রবিঠাকুর, তবে তা প্রশংসায়র নয়, তা পরম পুজনীয়, সামাজিক, ধর্মীয়, স্থান, সীমা পরিসীমায় যাঁকে বেঁধে রাখার কথা কোনও দিন সম্ভব নয়, কারণ তিনি বিশ্ব কবি, বিশ্বের দরবারে তাঁর স্থান, আর সেই বিশ্ব কবির গান ও সুরেই তাই ভাসল পাকিস্তান। 

আরও পড়ুন- অসুস্থ দিলীপ কুমার, হাসপাতালে ভর্তি, কেমন আছেন প্রবীণ অভিনেতা, কী বলছেন ডাক্তার 

 

ধারাবাহিকের গানে গানে উঠে এলো আমারও পরাণ যাহা চায়। যেখানে ভারত-পাক ম্যাচ মানেই চরম লড়াই, সীমানা ঘিরে একাধিকবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠার ছবি, কিন্তু রবিঠাকুরের আশ্রয়ে সাংস্কৃতিক জগতে তা হল মিলে মিশে একাকার। সাদা কালো ফ্রেমে, নায়িকার লাজুল চাউনি, সঙ্গে পাফের্ক্ট কম্পোজিশনে নায়কের অবস্থান, ধিমে আলোয় রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়ে উঠতেই তা ছড়িয়ে পড়ল নেটপাড়ায়। 

মুহূর্তে উঠল প্রশংসার ঝড়। ধারাবাহিকের নাম, দিল কেয়া করে। পাকিস্তানের এই জনপ্রিয় ধারাবাহিকের পরিচালক মেহরিন জাব্বার। গানটি গেয়েছেন শর্বরী দেশপান্ডে। পরিচালক নিজেই এই গানের অংশটি প্রথম শেয়ার করেন। এরপরই তা হাতে হাতে ছড়াতে থাকে। নেট মাধ্যমে তা ভাইরাল হতেই সকলের প্রশংসায় উপচে পড়ে ধারাবাহিকের সোশ্যাল পাতা।