বাঙালির প্রথম পছন্দ ট্র্যাডিশনাল শাড়ি ও পাঞ্জাবি গড়িয়াহাট-এর মোড়ে চলছে দরদামের দ্বন্দ্ব পুজোতে জামদানী ও ফ্যান্সি সিল্ক কিনলেন বঙ্গনারী পুজোর  আর মাত্র কটা দিন বাকি


পুজোতে বঙ্গনারীকে শাড়িতে যেমন অসামান্য লাগে,পুরুষকে ততটাই ভাললাগে পাঞ্জাবিতে।আর সেই কারনে এই মুহূর্তে গড়িয়াহাট-এর মোড়ের প্রায় সব দোকানেই ভিড় উপচে পরছে।আর যেখানে শাড়ি আর পাঞ্জাবি একসঙ্গে পাওয়া যায় ,সেখানেতো আর কথাই নেই । প্রেমিক-প্রেমিকা থেকে শুরু করে নব-দম্পতি সবাই একসঙ্গে ঢুকছেন।শাড়িতে আর পাঞ্জাবিতে দুজনকে কেমন মানায়,তার জন্য দোকানের বড় আয়নায় একপ্রস্ত শুভ দৃষ্টিও সেরে নিচ্ছেন।আর তারপর চলে দরদামের দ্বন্দ্ব।বেরিয়ে যাবেন কিনা,দোকানদার কি একবার 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়' ছবির মত শারুখের স্টাইলে যদি পিছুডাক দেন । 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তবে হ্যাঁ বাঙালি এখনও পছন্দ করে ট্র্যাডিশনাল শাড়ি আর পাঞ্জাবি।আর সেই জন্যেই তারা তাদের পছন্দের দোকানে ভিড় করে।বিক্রি সবারই ভাল হচ্ছে,তবে পুরনো বড় দোকানগুলি অকপটে তা স্বীকারও করছেন।আর ঘুরতে ঘুরতে এমন ভাবেই পাওয়া গেল তনুশ্রী দাশকে।আমাদের সংবাদ মাধ্যমকে জানালেন, পুজোর জন্য তিনি কিনেছেন জামদানী আর ফ্যান্সি সিল্ক।আর সঞ্চিতা দাশ তার স্বামীকে পাঙ্গাবি উপহার দিতে চান,তাই তিনি এসেছেন মায়ের সাথে শপিং এ।তবে এযুগের তরুণরা শুধু পাঞ্জাবি পরতেই ভালবাসেনা সঙ্গে ধুতিটাও চাই জমিয়ে। বিবিএ -এর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র এমনটাই জানালেন।সিল্ক কিংবা সুতি যাই হক,গলার কাছে সুতোর কাজ বাঙালির এখনও পছন্দ।যাইহোক পুরনো সব কিছুই নতুন রুপে আবার ফিরে আসে।

যাইহোক এখন তো প্রায় সব ঋতুই মিলে মিশে গেছে। তাই শরতের প্রথম আলিঙ্গনে শিউলি ফুল এখন বর্ষার জলে ভেসে আসছে। আর সঙ্গে আসছেন উমা মা।পুজোর সত্যিই আর মাত্র কটা দিন বাকি।