বাড়ির দেওয়াল, জানলা-দরজা, এমনকী ঘরের যেকোনও আসবাব শুভ ও অশুভ- দুই ধরনের এনার্জিই শোষণ করে নেয়। আর তাই শরীরের মতো বাড়িরও প্রয়োজন হয়ে পড়ে ডিটক্স অর্থাৎ শুদ্ধিকরণের।

লবণ শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না, বাস্তুশাস্ত্র ও ফাল্গুন শাস্ত্র অনুসারে এটি নেতিবাচক শক্তি দূর করে ইতিবাচকতা বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকর । কাঁচের পাত্রে সামুদ্রিক লবণ বা সৈন্ধব লবণ উত্তর-পূর্ব বা দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে রাখলে বা ঘরের কোণে লবণাক্ত জল ছিটিয়ে দিলে বাড়ির পরিবেশ শুদ্ধ হয়। এবং বাস্তু দোষের প্রভাব কমে, যা বাড়ির সামগ্রিক উন্নতিতে সাহায্য করে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

*বাস্তুশাস্ত্রে লবণের ব্যবহার ও সুফল*:

• নেতিবাচকতা দূরীকরণ: প্রতিদিন ঘর মোছার জলে সামান্য দানা লবণ (সমুদ্রের লবণ) মিশিয়ে ঘর মুছলে বাস্তুর প্রধান ত্রুটিগুলো দূর হয় এবং ঘরে পজিটিভ এনার্জির প্রবাহ বাড়ে।বিশেষ করে অমাবস্যা বা শনিবারের পর, যা বাড়িকে রোগমুক্ত ও শান্ত রাখে।

• বাথরুমের বাস্তু দোষ: বাথরুম বা টয়লেটে কাঁচের পাত্রে দানা লবণ (সমুদ্রের লবণ) রেখে দিলে তা নেতিবাচক শক্তি শুষে নেয়। এই লবণ প্রতি সপ্তাহে বা ১৫ দিন অন্তর বদলানো উচিত।

• আর্থিক সমৃদ্ধি: রান্নাঘরে একটি কাঁচের পাত্রে লবণ রাখা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়, যা বাড়িতে অন্ন-লক্ষ্মীর অভাব ঘটায় না এবং আর্থিক উন্নতিও ঘটায় ।

• রাহু ও কেতুর কুপ্রভাব হ্রাস: বাস্তু মতে, বাড়ির কোণে লবণ রাখলে রাহু ও কেতুর অশুভ প্রভাব কমে, যা পারিবারিক কলহ দূর করে এবং মানসিক চাপ কমায়

• পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য: ঘরের কোণে বা ভারী আসবাবের নিচে লবণ রাখা হলে তা আর্দ্রতা কমায় এবং ঘরের বাতাসকে বিশুদ্ধ রাখে, যা বাস্তু শাস্ত্রে স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী।

লবণকে বলা হয় অত্যন্ত শুদ্ধ একটি উপাদান। সামান্য লবণ সঠিক জায়গায় রাখলে বাস্তুর ভারসাম্য বজায় থাকে, যা জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।