মহাশিবরাত্রি ২০২৬ কবে: এই বছর ১৫ই ফেব্রুয়ারি, রবিবার মহাশিবরাত্রি উৎসব পালিত হবে। এই উৎসবে ভগবান শিবের পূজায় অনেক জিনিস নিবেদন করা হয়। এই জিনিসগুলির একটি তালিকা তৈরি করে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
মহাশিবরাত্রি পূজা সামগ্রীর বিবরণ: মহাদেবের পূজার জন্য এমনিতেও অনেক ব্রত-উৎসব পালন করা হয়, তবে এই সবের মধ্যে মহাশিবরাত্রি সবচেয়ে প্রধান। এই বছর এই উৎসব ১৫ই ফেব্রুয়ারি, রবিবার পালিত হবে। এই উৎসবে দিনের পাশাপাশি রাতেও শিবের পূজার বিধান রয়েছে। এই পূজায় অনেক জিনিসের প্রয়োজন হয়। পূজা শুরু হওয়ার আগেই এই জিনিসগুলি এক জায়গায় জড়ো করে নেওয়া উচিত, যাতে কোনও জিনিস বাদ না যায়। নিচে মহাশিবরাত্রি পূজার সামগ্রীর বিবরণ দেওয়া হল…
মহাশিবরাত্রি পূজার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস
অভিষেকের জন্য- শুদ্ধ জল, কাঁচা গরুর দুধ, মধু, ঘি, দুধ, দই, আখের রস ইত্যাদি।
পূজার জন্য- রক্ষা সূত্র, সাদা বস্ত্র, হলুদ সর্ষে, শমী পাতা, বেল পাতা, ঘি, চিনি, পান পাতা, সুপারি, লবঙ্গ, কুমকুম, ধূপকাঠি, ধুতুরা, আকন্দ ফুল, আমের পাতা, সব ধরনের ফুল (কেতকী ফুল ছাড়া)।
ভোগের জন্য- নারকেল, ভাঙ, শুদ্ধভাবে তৈরি মিষ্টি, মরসুমি ফল, পঞ্চমেওয়া ইত্যাদি।
অন্যান্য পূজা সামগ্রী- প্রদীপ, গাওয়া ঘি, গঙ্গাজল, তিল, যব, চন্দন, রুদ্রাক্ষ, চাল, কুশের আসন, হলুদ সর্ষে, শমী পাতা, হবন সামগ্রী, হবন কুণ্ড ইত্যাদি।
দেবী পার্বতীর জন্য পূজা সামগ্রী
মহাশিবরাত্রিতে ভগবান শিবের সাথে দেবী পার্বতীরও পূজা করা হয়। দেবী পার্বতী ছাড়া শিব পূজার সম্পূর্ণ ফল পাওয়া যায় না। নিচে দেবী পার্বতীর জন্য প্রয়োজনীয় পূজা সামগ্রীর তালিকা দেওয়া হল-
সধবা সামগ্রী- মেহেন্দি, কুমকুম, চাল, আলতা, লাল চুড়ি, লাল টিপ, লাল ওড়না, পায়ের আঙটির আংটি (বিছিয়া), কাজল, আয়না, চিরুনি, তেল, মঙ্গলসূত্র ইত্যাদি।
মহাশিবরাত্রি পূজার নিয়ম
১. মহাশিবরাত্রিতে রাতে পূজা করার নিয়ম আছে, তবে সাধারণ মানুষ দিনের বেলায় শুভ মুহূর্তেও পূজা করতে পারেন।
২. ব্রত পালনকারীকে রাতে ঘুমানো উচিত নয়। সারারাত জেগে শিবের মন্ত্র জপ করা উচিত।
৩. যারা মহাশিবরাত্রির ব্রত পালন করেন, তাদের এই দিনে কারও নিন্দা বা সমালোচনা করা উচিত নয় এবং কারও উপর রাগ করা উচিত নয়।
৪. ব্রত পালনকারীকে পরের দিন অর্থাৎ ১৬ই ফেব্রুয়ারি, সোমবার মহাশিবরাত্রি ব্রতের পারণ অবশ্যই করতে হবে।
৫. মহাশিবরাত্রির দিনে শরীর ও মন দিয়ে সম্পূর্ণ সাত্ত্বিক আচরণ করুন।
Disclaimer
এই প্রবন্ধে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা ধর্মগ্রন্থ এবং জ্যোতিষীদের থেকে নেওয়া হয়েছে। আমরা কেবল এই তথ্য আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি মাধ্যম। ব্যবহারকারীরা এই তথ্যগুলিকে কেবল সূচনা হিসেবেই গণ্য করুন।


