বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে ২২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার পড়ছে পঞ্চমী তিথি। বাংলায় তা ৮ মাঘ, বৃহস্পতিবার। সেদিন, রাত ২টো ৩০ মিনিট থেকে এই তিথি পড়ছে। আর তিথি শেষ হচ্ছে, ৯ মাঘ, শুক্রবার। সেদিন ২৩ জানুয়ারি। সেদিন রাত ১টা ৪৭ মিনিটে শেষ হবে তিথি।

২৩ জানুয়ারি বসন্ত পঞ্চমী বা সরস্বতী পুজো। বাগদেবীর আরাধনায় মেতে উঠতে চলেছে বাংলা। প্রত্যেক বছর মাঘ শুক্লার পঞ্চমী তিথিতে পালন করা হয়। শাস্ত্র অনুসারে, বসন্ত পঞ্চমীর শুভ তিথিতে একাধিক মাঙ্গলিক কার্য বিনা মুহূর্ত দেখে করা যায়। এই তিথি শ্রীপঞ্চমী বা বসন্ত পঞ্চমী নামেও পরিচিত। এদিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সর্বজনীন মণ্ডপ, পাড়ায় পাড়ায় বিদ্যার দেবী সরস্বতীর পুজো করা হয়। শিক্ষার্থীদের জন্যে সরস্বতী পুজো খুবই স্পেশাল। তাই অনেকে বাড়িতেও সরস্বতী পুজো করেন। সকাল থেকেই উপোস থেকে বাগদেবীর উদ্দেশ্যে অঞ্জলি দেন তারা। বিদ্যা, বুদ্ধি, জ্ঞানের প্রার্থনা করেন মায়ের কাছে।

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে ২২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার পড়ছে পঞ্চমী তিথি। বাংলায় তা ৮ মাঘ, বৃহস্পতিবার। সেদিন, রাত ২টো ৩০ মিনিট থেকে এই তিথি পড়ছে। আর তিথি শেষ হচ্ছে, ৯ মাঘ, শুক্রবার। সেদিন ২৩ জানুয়ারি। সেদিন রাত ১টা ৪৭ মিনিটে শেষ হবে তিথি।

গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে, পঞ্চমী তিথি শুরু ২২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার থেকে। সেদিন বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে ৮ মাঘ। সেদিন, রাত ১টা ৩৭ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে তিথি পড়ছে। তিথি শেষ হচ্ছে, শুক্রবার, ৯ মাঘ। সেদিন ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে ২৩ জানুয়ারি। সেদিন রাত ১২টা ২৭ মিনিট ২৮ সেকেন্ডে তিথি শেষ হচ্ছে।

অনেকেই বাড়িতে বাগদেবীর পুজো করেন। কিন্তু তার আগে সব সময় মাথায় থাকে না, কোন কোন জিনিস লাগবে। পুজো করতে বসে খেয়াল হয়। তখন সেই সব উপকরণ আনতে গিয়ে পুজোর কাজে অনেক দেরি হয়ে যায়।

সরস্বতী পুজোয় কী কী লাগবে? আজই দেখে নিন ফর্দ

পুজোর জন্য লাগবে

দেবী সরস্বতীর মূর্তি কিংবা ফটো, সাদা কাপড়, পলাশ ফুল, আম্রপল্লব, বেলপাতা, কাঁচা হলুদ, সিঁদুর, চাল, ধান, দূর্বা ঘাস, পাঁচ ধরনের ফলের মধ্যে কলা এবং নারকেল থাকতেই হবে, কলস, পান-সুপুরি, ধুপকাঠি, প্রদীপ, দুধ, খাগের কলম ও দোয়াত। সিদ্ধি, সিঁদুর, ১টি পুরোহিতবরণ, তিল, হরিতকি, পঞ্চগুঁড়ি, পঞ্চশস্য, পঞ্চরত্ন, ১টি পঞ্চপল্লব, ১টি ঘট, ১টি ঘট ঢাকা দেওয়ার গামছা, ১টি কুন্ডহাঁড়ি, ১টি তেকাঠা, ৪টি তীরকাঠি, ১টি দর্পণ, বরণডালা, ১টি সশীষ ডাব, এক সরা আতপ চাল, পুষ্পাবি, ২টি আসনাঙ্গুরীয়ক, ২টি মধুপর্কের বাটি, নৈবেদ্য ২, কুচা নৈবেদ্য ১, সরস্বতীর শাটী বা শাড়ি ১টি, লক্ষীর শাটী বা শাড়ি ১টি, চন্দ্রমালা ১টি, বিল্বপত্রমাল্য ১টি, থালা ১টি, ঘটি ১টি, শঙ্খ ১টি, লৌহ ১, নথ ১টি, রচনা, আমের মুকুল, যবের শীষ, কুল, আবির, অভ্র, মস্যাধার (দোয়াত) ও লেখনী, ভোগের দ্রব্যাদি, পান, পানের মশলা, কর্পূর, পূর্ণপাত্র ১টি, বালি, কাঠ, খোড়কে, গব্যঘৃত এক সের, হোমের জন্য বিল্বপত্র ২৮, দক্ষিণা।

হাতেখড়ি দেওয়ার জন্য যা যা লাগবে

১টি বিষ্ণুপূজার ধুতি, ২টো লক্ষ্মী ও সরস্বতী পূজার শাড়ি, বালকের পরিধেয় বস্ত্র ১টি, ৩টি মধুপর্কের কাংস্য বাটি, ৩টি আসন, ৩টি রূপার অঙ্গুরীয়ক, দধি, মধু, তিল, হরিতকী, ফল-মুলাদি, সিঁদুর, ধূপ, প্রদীপ, নৈবেদ্য ৩, কুচা নৈবেদ্য ১, ফল, স্লেট, রাম খড়ি ১টি, বর্ণমালা পুস্তক ১ খনি, তুলসী, বিল্বপত্র, দূর্বা ও পুষ্পাদি, দক্ষিণা। এছাড়াও বই, খাতা, কলম, পেনসিল, গান ও আঁকার সরঞ্জামও দেবীর সামনে রাখতে হবে।