Andrea Pirlo: ২০২৬ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থতার পর, গেনারো গাত্তুসো সরে দাঁড়ান। এবার তাঁর জায়গায় ইতালির নতুন কোচ হলেন আন্দ্রে পিরলো। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত, তাঁর সঙ্গে চার বছরের চুক্তি সেরে ফেলেছে ইতালির ফুটবল সংস্থা।

Andrea Pirlo: টানা তিন-তিনটে বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে না পেরে মুখ থুবড়ে পড়েছে ইতালি। জাতীয় ফুটবল দলের এই ঘোর দুর্দিনে নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন প্রাক্তন বিশ্বকাপজয়ী তারকা আন্দ্রে পিরলো। সূত্রের খবর, ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের প্রস্তাবে নীতিগতভাবে রাজি হয়েছেন পিরলো। খুব তাড়াতাড়িই সরকারি ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে (Italy national football team)।

ফিরতেই হবে বিশ্বকাপে!

পিরলোর সঙ্গে চুক্তি হচ্ছে চার বছরের, যা ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত চলবে। প্রসঙ্গত, ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর, গত এপ্রিল মাসে কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান গেনারো গাত্তুসো। তাঁর জায়গাতেই এবার দায়িত্বে আসছেন পিরলো। ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬—টানা তিনটি বিশ্বকাপে খেলতে না পারাটা আজ্জুরিদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যর্থতার সময়! ইতালির ফুটবল কাঠামো ঢেলে সাজানোর দায়িত্বে থাকা টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পাওলো মালদিনি এবং লিওনার্দোই পিরলোকে কোচ হিসেবে বেছে নিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।

এর আগে ফেডারেশন কার্লো আনসেলত্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু তিনি ব্রাজিলের জাতীয় দলের কোচ হিসেবেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর ম্যাঞ্চেস্টার সিটির প্রাক্তন কোচ পেপ গুয়ার্দিওলার সঙ্গেও কথা হয়। কিন্তু বেতনের ব্যাপারে মতের মিল হয়নি। শেষপর্যন্ত, পিরলোর কাছেই প্রস্তাব যায়। বৃহস্পতিবার, ইতালিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে আলোচনার পর পিরলো কোচের দায়িত্ব নিতে রাজি হন। কোচ হিসেবে পিরলোর অভিজ্ঞতা খুব বেশি না থাকায় সমালোচনাও হচ্ছে। তবে মালদিনি এবং লিওনার্দোর মতে, তাদের দীর্ঘমেয়াদী ফুটবল পরিকল্পনার জন্য পিরলোই একজন সঠিক ব্যক্তি হতে পারেন।

ইতালি ফুটবল দলের নতুন কোচ হলেন বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি পিরলো

জুভেন্টাসের কোচ হিসেবে প্রথম মরশুমেই তিনি কোপা ইতালিয়া এবং সুপারকোপা ইতালিয়ানা জিতেছিলেন। এরপর তুরস্কের ফাতিহ কারাগুমরুক এবং ইতালির ক্লাব স্যাম্পদোরিয়ারও কোচ ছিলেন তিনি। সম্প্রতি দুবাইয়ের ইউনাইটেড এফসি-কে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি প্রো লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করানোটা তাঁর অন্যতম সেরা সাফল্য বলে মনে করছেন ইতালির ফুটবল কর্তারা। অন্যদিকে, নিজে একজন বিশ্বকাপজয়ী এবং কিংবদন্তি ফুটবলার হিসেবে ইতালির হয়ে ১১৬টি ম্যাচ খেলেছেন পিরলো। ২০০৬ সালে, ইতালির বিশ্বকাপ জয়ের ক্ষেত্রে মাঝমাঠের অন্যতম প্রধান কারিগর ছিলেন তিনিই।

আগামী সেপ্টেম্বর মাসে, উয়েফা নেশনস লিগই হবে পিরলোর প্রথম পরীক্ষা। সেপ্টেম্বরের প্রথম ম্যাচে, ইতালির প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম। এরপর তুরস্ক এবং ফ্রান্সের বিরুদ্ধেও খেলবে ইতালি।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।