CWG 2026: গ্লাসগোয় (Glasgow) চলতি কমনওয়েলথ গেমস যত এগিয়ে চলেছে, ততই ভারতের পদক সংখ্যা বাড়ছে। পদক তালিকায় উপরের দিকে উঠে এসেছে ভারত। ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের জেতা সোনার সংখ্যা দুই অঙ্কে পৌঁছে গিয়েছে। সোনা-সহ পদক সংখ্যা বাড়বে বলে আশায় সারা দেশ।
KNOW
Sakshi Choudhary-Priya Ghanghas Gold Medal: কমনওয়েলথ গেমসে (Commonwealth Games 2026) একই দিনে সোনা জয় দুই তুতো বোনের। দুই বোনই বক্সিংয়ে সোনা জিতলেন। পারিবারিক সাফল্যে দেশের সম্মান বৃদ্ধি পেল। প্রীতি পাওয়ার (Preeti Pawar) ও জেসমিন ল্যাম্বোরিয়ার (Jaismine Lamboria) পদাঙ্ক অনুসরণ করে সোনা জিতলেন সাক্ষী চৌধুরী ও প্রিয়া ঘাংহাস। মহিলাদের ৫১ কেজি ফ্লাইওয়েট বিভাগে ২৫ বছর বয়সি সাক্ষী আক্রমণাত্মক ও আত্মবিশ্বাসী বক্সিংয়ের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের (England) রুবি হোয়াইটকে (Ruby White) ৫-০ উড়িয়ে সোনা জেতেন সাক্ষী। এর কিছুক্ষণ পরেই মহিলাদের ৬০ কেজি লাইটওয়েট বিভাগে রিংয়ে ওঠেন সাক্ষীর তুতো বোন প্রিয়া। তিনি পরিবারের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আরও এক সোনা জেতেন।
সাক্ষী-প্রিয়ার সাফল্য
ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করা এবং পুণের আর্মি স্পোর্টস ইনস্টিটিউটে অনুশীলন করা সাক্ষী শুরু থেকেই লড়াইয়ের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেন। দূরত্ব ও রিংয়ের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে তিনি তিন রাউন্ড জুড়েই রুবি হোয়াইটকে রক্ষণাত্মক অবস্থায় থাকতে বাধ্য করেন। গ্লাসগোয় সাক্ষীর পদক জয়ের পথ কঠিন ছিল। জাতীয় নির্বাচনী ট্রায়ালে জায়গা নিশ্চিত করতে তাঁকে ২০২৫ সালের বক্সিং বিশ্বকাপে সোনাজয়ী হওয়ার পাশাপাশি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মিনাক্ষী হুডা এবং দু'বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নিখাত জারিনকে হারাতে হয়েছিল। ফাইনালে তাঁর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সেই কঠিন প্রস্তুতিরই প্রতিফলন দেখা গেল। অন্যদিকে, বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের চার নম্বরে থাকা প্রিয়া ২০২৬ সালে এলিট এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, বক্সাম কাপ এবং উস্তি নাদ লাবেম গ্রাঁ প্রিতে স্বর্ণ জয়ের পর দারুণ ছন্দে ছিলেন। তবে ফাইনালে তাঁকে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন কানাডার (Canada) মেরি-বাথুল আল-আহমাদিয়েহ (Marie-Bathoul Al-Ahmadieh)। উচ্চগতির ও কৌশলনির্ভর এই লড়াইয়ে দুই বক্সারেরই সহনশক্তির কঠিন পরীক্ষা হয়। শেষ পর্যন্ত অসাধারণ রিং-ক্রাফট, দ্রুত ফুটওয়ার্ক এবং নিখুঁত পার্শ্বগত চলাচলের সাহায্যে প্রিয়া ৪-১ বিভক্ত সিদ্ধান্তে জয় তুলে নেন।
গ্লাসগোয় জাতীয় সঙ্গীত
রিংয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি ক্রীড়াসুলভ আচরণেও সবাইকে মুগ্ধ করেন সাক্ষী। ফল ঘোষণার পর কান্নায় ভেঙে পড়া হোয়াইটের কাছে গিয়ে তিনি সান্ত্বনা দেন। এরপর ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (Indian Olympic Association) সভাপতি পি টি ঊষার (PT Usha) হাত থেকে সোনার পদক গ্রহণ করেন। সেই সময় স্টেডিয়ামে বেজে ওঠে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


