Falklands War: ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের দখল নিয়ে ১৯৮২ সালের এপ্রিলে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের (Argentina vs England) মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ৭৪ দিন ধরে চলে এই যুদ্ধ। তারপর কেটে গিয়েছে প্রায় সাড়ে চার দশক। কিন্তু এখনও ফুটবল মাঠে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মুখোমুখি হলেই ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি ফিরে আসে।

DID YOU
KNOW
?
২৪ বছর পর বদলা মেসিদের
২০০২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যায় আর্জেন্টিনা। ২৪ বছর পর ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বদলা নিলেন লিওনেল মেসিরা।

Argentina vs England: বিশ্বকাপ ফুটবল (FIFA World Cup 2026) সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় পেলেও, বিতর্কে আর্জেন্টিনা (Argentina vs England) দল। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর মাঠেই ফকল্যান্ড (Falklands) নিয়ে বিশেষ ব্যানার তুলে ধরায় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন লিওনেল মেসিরা (Lionel Messi)। আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছে ব্রিটিশ সরকার (British Government)। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে ফিফার কাছে এই দাবি জানানো হয়েছে। ফিফা ফুটবল মাঠে কোনও রাজনৈতিক, জাতিবিদ্বেষমূলক বা বর্ণবিদ্বেষমূলক বার্তার বিরোধী। এই কারণেই আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও ফিফার পক্ষ থেকে এখনও এ বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।

ফুটবল মাঠে যুদ্ধের প্রভাব

১৯৮২ সালের এপ্রিলে শুরু হয় ফকল্যান্ড যুদ্ধ (Falklands War)। তারপর থেকে যতবার ফুটবল মাঠে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে, ততবারই ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি ফিরে এসেছে। এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালের আগেও ফকল্যান্ড যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও ২-১ জয় পেয়ে ফকল্যান্ড-বিতর্ক উস্কে দেয় আর্জেন্টিনা দল। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর গ্যালারি থেকে এক ব্যানার মাঠে ছুড়ে দেন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। সেই ব্যানারে লেখা ছিল, 'লাস মালভিনাস সন আরহেনতিনাস।' যার বাংলা তর্জমা করলে হয়, 'মালভিনাস দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার।' ফকল্যান্ডই মালভিনাস হিসেবে পরিচিত।

কড়া ব্যবস্থার দাবি ব্রিটিশ সরকারের

ফকল্যান্ড নিয়ে আর্জেন্টিনার ব্যানার প্রদর্শনের নিন্দা করে ব্রিটিশ সরকারের বাণিজ্য সচিব পিটার কাইল (UK Business Secretary Peter Kyle) বলেছেন, ‘রাজনীতিকে ফুটবল থেকে আলাদা করে রাখা দরকার। বিশ্বকাপ এমন এক জায়গা, যা বলে যে রাজনীতি ও ফুটবল আলাদা। এবার ফিফাকে যা করার করতে হবে। আমি আশা করি ফিফা যথাযথ তদন্ত করবে।’ ব্রিটিশ সরকারের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত আর্জেন্টিনা ফুটবল দল বা সরকারের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।