নর্থইস্ট সমর্থকদের অভিযোগ ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের একাংশ স্টেডিয়ামে নর্থইস্ট সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছে

নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে টেক্কা দিয়ে ডুরান্ড কাপের সেমি ফাইনালে দূরন্ত জয় ইস্টবেঙ্গলের। ১৯ বছর পর ডুরান্ড ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। তবে জয়ের আনন্দের মাঝেই ফের বিতর্কের কেন্দ্রে লাল-হলুদ দল। স্টেডিয়ামে দর্শকদের উদ্দেশ্য করে কটূ কথা বলার অভিযোগ তুলল নর্থইস্ট দল। দু'দলের মধ্যে সমস্যা যাতে না হয় তার জন্য গেট থেকেই আলাদা করে দেওয়া হয় প্রবেশপথ ও বসার জায়গা। কিন্তু এত করেও এড়ানো গেল না বিতর্ক। নর্থইস্ট সমর্থকদের অভিযোগ ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের একাংশ স্টেডিয়ামে নর্থইস্ট সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছে। এখানেই শেষ নয় গালাগালির পাশাপাশি অন্যান্য গুন্ডামিও চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। এই প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে আচরণের নিন্দাও করেছে নর্থইস্ট ইউনাইটেড।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তবে বুধবার সন্ধ্যের মধ্যেই ঘটনার সমালোচনায় সরব হয় ইস্টবেঙ্গল কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি একটি বিবৃতি দিয়ে ক্ষমাও চাওয়া হয় লাল-হলুদ কর্তৃপক্ষের তরফে। ক্লাবের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে,'ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে বর্ণবিদ্বেষের কড়া সমালোচনা করে। ফুটবল মানুষের খেলা, কোনও ধরণের বৈষম্যের এখানে কোনও স্থান নেই।'

টাইব্রেকারে সহজেই নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসি-কে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। এদিন ৭৬ মিনিট পর্যন্ত ০-২ পিছিয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। ৭৬ মিনিটে নাওরেম মহেশ সিংয়ের শট বক্সের মধ্যে নিজের ও বিপক্ষ দলের ফুটবলারদের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়। কিন্তু তারপরেও গোল শোধ হচ্ছিল না। চতুর্থ রেফারি ৮ মিনিট ইনজুরি টাইম দেন। ইনজুূরি টাইমের পঞ্চম মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন নর্থ ইস্টের ডিফেন্ডার মিগুয়েল জাবোকো। সেই ফ্রি-কিক থেকেই গোল শোধ হয়। ক্লেইটন সিলভার মাপা ক্রস থেকে হেডে জালে বল জড়িয়ে দেন নন্দকুমার শেখর। এবারের ডুরান্ড কাপের নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত সময়ের বদলে সরাসরি টাইব্রেকার হয়। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে পরপর গোল করেন ক্লেইটন, সল ক্রেসপো, বোরহা হেরেরা, মহেশ ও নন্দকুমার। পার্থিব গগৈয়ের শট প্রথমে সেভ করেন ইস্টবেঙ্গলের গোলকিপার প্রভসুখন গিল। কিন্তু শটের আগেই তিনি গোললাইন ছেড়ে বেরিয়ে আসায় ফের শট নেওয়ার নির্দেশ দেন রেফারি। এবার বারে মারেন পার্থিব। এই মিসই ইস্টবেঙ্গলকে জিতিয়ে দিল।