আইএসএল-এ যোগ দেওয়ার পর থেকেই নিয়মিত রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বলি হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। এবারও একই ঘটনা দেখা যাচ্ছে। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা প্রতিবাদ জানানোর পরেও রেফারিংয়ের উন্নতি দেখা যাচ্ছে না।

'রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ইস্টবেঙ্গলের হার।' বারবার লিখে ক্লিশে হয়ে গেলেও, বৃহস্পতিবার আইএসএল-এ ইস্টবেঙ্গল-ওড়িশা এফসি ম্যাচের পরেও একই বাক্য লিখতে হচ্ছে। একাধিক বিদেশি ফুটবলারের চোটে ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই পিছিয়ে পড়েছিল অস্কার ব্রুজোঁর দল। নির্ভরযোগ্য বিদেশি ফুটবলার বলতে ছিলেন একমাত্র মাদিহ তালাল। তিনিও ম্যাচের শুরুতেই হাঁটুতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। ফলে ইস্টবেঙ্গলের শক্তি কমে যায়। তা সত্ত্বেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন সৌভিক চক্রবর্তী, আনোয়ার আলিরা। কিন্তু এরই মধ্যে ৪৩ মিনিটে রেফারি তেজস বিশ্বরাও নাগভেঙ্করের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ১০ জনে হয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। ৭ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন জিকসন সিং। এরপর ৪৩ মিনিটে তিনি শরীর দিয়ে বল আড়াল করেন। তাঁর দিকে ছুটে গিয়ে পড়ে যান ওড়িশা এফসি-র ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার দিয়েগো মরিসিও। জিকসন হাত চালাননি। কিন্তু তা সত্ত্বেও মুখে আঘাত পেয়েছেন বলে দাবি করে মাঠে শুয়ে পড়ে ছটফট করতে থাকেন মরিসিও। রেফারি জিকসনকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান। এই সিদ্ধান্তই ম্যাচের ফল গড়ে দিল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

লড়াই করে হার ইস্টবেঙ্গলের 

প্রথমার্ধের শেষে ম্যাচের ফল ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা ভালোভাবে করে ইস্টবেঙ্গল। ৫৩ মিনিটে কর্নার থেকে ম্যাচের প্রথম গোল করেন লালচুংনুঙ্গা। কিন্তু ২ মিনিটের মধ্যে গোলকিপার প্রভসুখন সিং গিলের ভুলে গোল হজম করে ইস্টবেঙ্গল। জেরির ক্রস বুঝতেই পারেননি গিল। এরপর ৮১ মিনিটে একক দক্ষতায় ওড়িশার হয়ে জয়সূচক গোল করেন হুগো বুমোস। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল

কবে মাঠে ফিরবেন তালাল?

তালালের চোট কতটা গুরুতর এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে লাল-হলুদ শিবিরের আশঙ্কা, এই ফরাসি তারকাকে হয়তো বেশ কিছুদিন মাঠের বাইরে থাকতে হবে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

আরও পড়ুন-

চোটের জন্য ২ সপ্তাহ মাঠের বাইরে অধিনায়ক, চেন্নাইয়িনের বিরুদ্ধে জিতেও চিন্তায় ইস্টবেঙ্গল

'বাংলাদেশের প্রত্যেকের জন্য শান্তি, নিরাপত্তা এবং মর্যাদা আশা করি,' বার্তা সৌভিক চক্রবর্তীর

আইএসএল-এ রেফারিং বিতর্ক এড়াতে ভিএআর-এর বিকল্প কী? অভিনব প্রস্তাব ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচের