সাতাশ বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে করতে হবে ৭০ রান। হাতে ছয় উইকেট। এই অবস্থায় বৃষ্টিতে থেমে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংস। তার পর আর খেলা শুরু করা যায়নি। ফলে  ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে ২২ রানে জয়ী হলেন কোহলিরা। দ্বিতীয় টি টোয়েন্টি ম্যাচেও জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলেন বিরাটরা।

ফ্লোরিডায় প্রথম টি টোয়েন্টিতে রান তুলতেই কালঘাম ছুটেছিল দু' দলেরই। এ দিন দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য রোহিত শর্মার সৌজন্যে প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে বড় রানের টার্গেট দিয়েছিল ভারত। শেষ দিকে ভারতের রানের গতি বাড়াতে সাহায্য করলেন ক্রুণাল পান্ডিয়া। কিন্তু এ দিনও ব্যর্থ ভারতের মিডল অর্ডার। রোহিত শর্মার ৫১ বলে ৬৭ ছাড়া তিরিশ পারল করতে পারেননি কোনও ব্যাটসম্যান। ২৩ বলে ২৮ রান করে ফেরেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ব্যর্থ হন মনীশ পান্ডে, ঋষভ পন্থও। মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় এ দিনও মাঝের ওভারগুলিতে রানের গতি কমে গিয়েছিল ভারতের।  

শেষ দিকে ১৩ বলে ২০ করে নট আউট থাকেন ক্রুণাল। শেষ ওভারে তিনি দুটো ছয় মারেন। জাদেজাও মারেন একটি ছক্কা। শেষ ওভারে ওঠে কুড়ি রান। নির্ধারিত কুড়ি ওভারে  ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ তোলে ভারত। তবে ফ্লোরিডার ধীর গতির পিচে ১৬৭ যথেষ্টই কঠিন টার্গেট বলেই মত দিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। 

ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ক্যারিবিয়ানরা। নিজের বলেই দুরন্ত রিটার্ন ক্যাচে ওপেনার লিউইসকে ফিরিয়ে দেন ভুবনেশ্বর কুমার। সুনীল নারিনকে ফিরিয়ে দেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কিছুটা লড়াইয়ে ফিরিয়ে আনেন রভম্যান পাওয়েল। ৩৪ন বলে ৫৪ রান করেন তিনি। কিন্তু ব্যাট হাতে ঝোড়ো ইনিংস খেলার পরে বল হাতেও কোহলিকে স্বস্তি দেন ক্রুণাল পান্ডিয়া। পাওয়েল এবং পুরানের উইকেট তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জোর ধাক্কা দেন তিনি।