Jennifer Paes Demise: ভারতীয় ক্রীড়ার ইতিহাসে অন্যতম বিখ্যাত ও সফল পরিবার দক্ষিণ কলকাতার বেকবাগানের পেজ পরিবার। ভেস পেজ (Vece Paes) ভারতের পুরুষ হকি দলের তারকা ছিলেন। তাঁর স্ত্রী জেনিফার পেজ ভারতের মহিলা বাস্কেটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন। তাঁদের ছেলে লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes) টেনিস তারকা।
KNOW
Leander Paes Lost Mother: প্রয়াত ভারতের মহিলা বাস্কেটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক জেনিফার পেজ (Jennifer Paes)। গত বছরের ১৪ অগাস্ট স্বামী, ভারতের হকি দলের প্রাক্তন খেলোয়াড় ভেস পেজ (Vece Paes) প্রয়াত হয়েছেন। এবার জেনিফারও শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। ফলে বাবার পর মাকেও হারালেন ভারতীয় টেনিসের কিংবদন্তি লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes)। শুধু খেলোয়াড় হিসেবেই নয়, বুদ্ধিমতী, শিক্ষিতা এবং ডাকসাইটে সুন্দরী হিসেবে একসময় কলকাতা-সহ সারা ভারতে রীতিমতো নজরকাড়া ছিলেন জেনিফার। তিনি কোনওদিন স্বামী বা সন্তানের খ্যাতির আড়ালে চাপা পড়ে যাননি। বরং স্বকীয় পরিচয় চিরকাল বজায় রাখতে পেরেছিলেন। তবে বয়স ও অসুস্থতার কারণে তিনি শেষদিকে সমস্যা পড়েছিলেন। তাঁর শরীরে থাবা বসিয়েছিল মারণ রোগ ক্যান্সার। তাঁকে সুস্থ করে তোলার জন্য অস্ত্রোপচারও করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে কোনও ফল হয়নি।

স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে অলিম্পিক্সে!
১৯৭২ সালে মিউনিখ অলিম্পিক্সে (1972 Munich Olympics) ভারতীয় ক্রীড়ার ইতিহাসে বিরলতম ঘটনা দেখা গিয়েছিল। ভারতের পুরুষ হকি দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন ভেস পেজ এবং ভারতের মহিলা বাস্কেটবল দলের সদস্য ছিলেন জেনিফার পেজ। স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে অলিম্পিক্সে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়েছিলেন। সেবার ভারতের পুরুষ হকি দল ব্রোঞ্জ জেতে। মহিলা বাস্কেটবল দল অবশ্য পদক জিততে পারেনি। ২৪ বছর পর ১৯৯৬ সালে আটলান্টা অলিম্পিক্সে (1996 Atlanta Olympic Games) পুরুষদের সিঙ্গলসে ব্রোঞ্জ জেতেন লিয়েন্ডার পেজ। শুধু ভারতেরই নয়, এশিয়ার (Asia) প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে অলিম্পিক্সে টেনিসে পদক জেতেন লিয়েন্ডার। এখনও পর্যন্ত অন্য কোনও ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় অলিম্পিক্সে পদক জিততে পারেননি। একমাত্র টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৯২ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত টানা সাতবার অলিম্পিক্সে যোগ দেওয়ার রেকর্ডও গড়েন লিয়েন্ডার। তাঁর এই সাফল্যে বাবার পাশাপাশি মায়েরও বিশেষ ভূমিকা ছিল।
মাইকেল মধুসূদন দত্তর প্রপৌত্রী
জেনিফার পেজ বাংলার অন্যতম বিখ্যাত কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তর (Michael Madhusudan Dutt) প্রপৌত্রী ছিলেন। এই কারণে শুধু খেলাই নয়, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গেও তাঁর গভীর যোগাযোগ ছিল।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


