Lionel Messi: গ্যালারি জুড়ে ‘মেসি মেসি' গর্জন এবং অনেকের চোখে তখন জল। মেসিও কাঁদলেন। বিশ্ব ফুটবলের কোটি কোটি সমর্থক যার জন্য ইমোশনাল। সেই মেসি, যিনি নিজেও কাঁদলেন এবং কাঁদালেন। সত্যিই স্মরণীয়। মেসি ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে থাকা সতীর্থদের জড়িয়ে ধরেন। গ্যালারি তখন ফেটে পড়ছে দর্শকদের উল্লাস আর হাততালিতে।

Lionel Messi: লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের বিদায়ী ম্যাচ খেলার পর আর আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না। তিনি জানালেন, জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানো তাঁর জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অভিজ্ঞতা (Lionel Messi)। গত ২০ বছরের কথা মনে করে মেসি বলেন, এই দল ছেড়ে যাওয়াটা তাঁর কাছে খুব কষ্টের। সুযোগ থাকলে সারা জীবন তিনি আর্জেন্টিনার হয়েই খেলে যেতে চান। আর্জেন্টিনা মঙ্গলবার রাতে বুয়েনস আইরেসে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে। আর এই ম্যাচে জোড়া অ্যাসিস্ট ও একটি গোল করে মেসি রূপকথার মতো আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন (Messi retirement match updates)।

'আর্জেন্টিনার হয়ে খেলাটাই সবচেয়ে সুন্দর'

বিদায়ী ম্যাচের পর ৪৩৩ (433)-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি জানান, "এই জার্সিকে ধন্যবাদ জানানো ছাড়া আমার আর কিছু করার নেই। গত ২০ বছর ধরে খারাপ সময় এলেও আমি লড়াই থামাইনি। নিজের সেরাটা দিয়ে সবসময় এই দলেই থাকতে চেয়েছি। আর এখানে না আসা বা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সঙ্গে না থাকাটা আমাকে খুব কষ্ট দেবে। আমার হাতে থাকলে আমি সারা জীবন এখানেই থেকে যেতাম। কারণ, আর্জেন্টিনার হয়ে খেলাটাই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতি। আজ হয়তো আমি একটু বেশিই কথা বলছি, কারণ আমি চাই না এই মুহূর্তটা শেষ হোক।"

রূপকথার মতো বিদায়

আর্জেন্টাইন জাদুকর জাতীয় দলের হয়ে নিজের শেষ ম্যাচেও ম্যাজিক দেখালেন। তিনি তাঁর অসাধারণ ক্যারিয়ারের সঙ্গে মানানসই পারফরম্যান্স উপহার দিলেন ঘরের মাঠের দর্শকদের। ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনও গোল না হলেও, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই খরা কাটে। নিকোলাস ওটামেন্ডি ৪৮ মিনিটে, মেসির পাস থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন। মেসি দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা নেন। নিকো পাজ তাঁর সাজিয়ে দেওয়া বল থেকে দুর্দান্ত কার্লিং শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা এরপর পেনাল্টি থেকে গোল করে দলের ৩-০ ব্যবধান নিশ্চিত করেন। আর এভাবেই তিনি নিজের শেষ ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখলেন।

মেসি ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে থাকা সতীর্থদের জড়িয়ে ধরেন। গ্যালারি তখন ফেটে পড়ছে দর্শকদের উল্লাস আর হাততালিতে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে আর্জেন্টিনার ভাগ্য বদলে দেওয়া এই তারকা ফরোয়ার্ডের বিদায়বেলায় তৈরি হল এক আবেগঘন পরিবেশ। গ্যালারি জুড়ে ‘মেসি মেসি' গর্জন এবং অনেকের চোখে তখন জল। মেসিও কাঁদলেন। বিশ্ব ফুটবলের কোটি কোটি সমর্থক যার জন্য ইমোশনাল। সেই মেসি, যিনি নিজেও কাঁদলেন এবং কাঁদালেন। সত্যিই স্মরণীয়।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।