Mexico World Cup 2026: একেবারে নজির গড়ে প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল মেক্সিকো।ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় উঠে গেল আয়োজকরা। গত সাতটি বিশ্বকাপে নক আউটে শুরুতেই প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে বিদায় নিয়েছিল মেক্সিকো। টানা চারটি ক্লিন শিট রাখার নজির। 

Mexico World Cup 2026: একেবারে নজির গড়ে প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল মেক্সিকো। ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় উঠে গেল আয়োজকরা। গত সাতটি বিশ্বকাপে নক আউট পর্বে শুরুতেই প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে বিদায় নিয়েছিল মেক্সিকো। সেই অভিশাপ কাটিয়ে ৪০ বছর পর বিশ্বকাপের নক আউটের ম্যাচ জিতল উত্তর আমেরিকার এই দেশ। শেষবার ১৯৮৬ সালে নিজেদের দেশের মাটিতে হওয়া বিশ্বকাপেই নক আউট পর্বে জিতেছিল তারা। পাশাপাশি আরও একটি নজির মেক্সিকো গড়ল। টুর্নামেন্টের প্রথম চারটি ম্যাচেই জয় তুলে নেওয়ার পাশাপাশি একটিও গোল হজম করেনি তারা। এই কীর্তির ফলে ১৯৯০ সালের ইতালির পর প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম চারটি ম্যাচে টানা চারটি ক্লিন শিট রাখার নজির গড়ল মেক্সিকো।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

টানা ৪ ম্যাচে গোল না খেয়ে জয়

দলের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফুটবলবিশ্বে প্রশংসার ঝড় উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, শুধু আক্রমণ নয়, শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ এবং গোলরক্ষকের অসাধারণ পারফরম্যান্সই মেক্সিকোকে এই ঐতিহাসিক সাফল্যের পথে নিয়ে এসেছে। ৩৬০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে প্রতিপক্ষের কোনও ফুটবলার মেক্সিকোর জালে বল জড়াতে পারেননি। মেক্সিকোর বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হয় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২-০ ব্যবধানে জয় দিয়ে। প্রথম ম্যাচেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল উপহার দেয় মেক্সিকো। এরপর দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে ১-০ ব্যবধানে কঠিন লড়াইয়ে জয় তুলে নেয় তারা। সেই ম্যাচে রক্ষণভাগের দৃঢ়তা বিশেষভাবে নজর কেড়েছিল। তৃতীয় ম্যাচে চেকিয়ার বিরুদ্ধে ৩-০ ব্যবধানে দাপুটে জয় পায় মেক্সিকো। ওই ম্যাচে যেমন আক্রমণভাগের ধার দেখা যায়, তেমনই প্রতিপক্ষকে গোলের সুযোগই প্রায় দেয়নি তারা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে শতভাগ সাফল্য নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে শেষ করে মেক্সিকো।

ইতিহাসে নাম লেখালো মেক্সিকো

চার ম্যাচে চারটি জয়, চারটি ক্লিন শিট এবং সর্বোচ্চ ১২ পয়েন্ট, নকআউট পর্বে ওঠার আগে এর চেয়ে ভালো শুরু খুব কম দলই করতে পেরেছে। টানা চারটি ম্যাচে প্রতিপক্ষকে গোল করতে না দেওয়ার নজির বিশ্বকাপের ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল। মেক্সিকোর এই সাফল্যের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসছে ১৯৯০ সালের ইতালির নাম। নিজেদের দেশে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপে ইতালিও প্রথম চারটি ম্যাচে কোনও গোল হজম করেনি। পরে তারা সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছিল। এবার সেই ঐতিহাসিক রেকর্ডেই নাম লিখিয়ে ফেলল মেক্সিকো।

কাটল মেক্সিকো

মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে বহু বছরের অভিশাপ ভাঙায় উচ্ছ্বসিত দেশটির সমর্থকেরা। ফুটবল মহলে এই অভিশাপটি 'কিন্তো পার্তিদো' বা 'পঞ্চম ম্যাচের অভিশাপ' নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে মেক্সিকো গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে শেষ ষোলোয় উঠলেও সেখানেই বিদায় নিত এবং কখনও কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছতে পারত না।

উচ্ছ্বাসে ভাসল মেক্সিকো

মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে ৪০ বছরের অভিশাপ ভাঙায় উচ্ছ্বসিত দেশটির সমর্থকেরা। ফুটবল মহলে এই অভিশাপটি 'কিন্তো পার্তিদো' বা 'পঞ্চম ম্যাচের অভিশাপ' নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে মেক্সিকো গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে শেষ ষোলোয় উঠলেও সেখানেই বিদায় নিত এবং কখনও কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছতে পারত না। 

দেখুন ভিডিও

Scroll to load tweet…

শেষবার তারা ১৯৮৬ সালে, নিজেদের দেশে আয়োজিত বিশ্বকাপে শেষ আটে উঠেছিল। এরপর ১৯৯৪ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত টানা সাতটি বিশ্বকাপে শেষ ষোলো থেকেই ছিটকে যায় মেক্সিকো। ১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালে আয়োজক দেশ হিসেবে তারা পঞ্চম ম্যাচ খেলেছিল। এবার সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হওয়ায় উৎসবে মেতেছেন মেক্সিকোর সমর্থকেরা।