অস্ট্রেলিয়ার ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান করে পালন করলেন ২৫ তম বিবাহ বার্ষিকী। মহাকুম্ভ মেলার আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে ধন্যবাদ জানান।

ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান করে পালন করলেন বিবাহ বার্ষিকী। সদ্য ভাইরাল হল অস্ট্রেলিয়ান দম্পতির খবর। বিশ্বের বৃহত্তম আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব, মহাকুম্ভ মেলার আলোচনা সারা বিশ্ব জুড়ে। আর এই উৎসবে যোগ দিতে অস্ট্রেলিয়া থেকে এলেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)-র সাংস্কৃতিক রাষ্ট্রদূত এবং মাল্টি কালচার প্রোগ্রাম-র প্রধান ডঃ আশুতোষ মিশ্র এবং তার স্ত্রী। তারা কাশী বিশ্বনাথ পরিদর্শন করেন। তারপর ত্রিবেণী সঙ্গে আসেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কাশীর দম্পতি বিশ্বের বৃহত্তম অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে অভিনন্দন জানান। তাদের ২৫ তম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করতে ভারতে আসেন তারা। ১৪৪ বছর পর মহাকুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হন। তারা বলেন, কাশী বিশ্বনাথের মঙ্গল আরতি এবং ত্রিবেণী সঙ্গমে পবিত্র স্নানের মাধ্যমে তাদের জীবন সমৃদ্ধ হয়েছে।

ডঃ আশুতোষ মিশ্র বলেন, মহাকুম্ভমেলার আয়োজনের প্রশংসা করে এত আয়োজন করা সহজ ছিল না। কিন্তু, উত্তরপ্রদেশ সরকার তা সম্ভব করে তুলেছে।

কাশী পরিদর্শনের পর সঙ্গমে স্নান করেন। ডঃ আশুতোষ মিশ্রের স্ত্রী বলেন, তারা ভারতে তাদের ২৫ তম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করেন। তারা বিশ্বের অন্য়ান্য পর্যটন কেন্দ্র এড়িয়ে প্রথমে কাশী বিশ্বনাথের মঙ্গল আরতিতে অংশগ্রহণ করার এবং তার ত্রিবেণী সঙ্গমে পবিত্র স্নান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা তাদের জীবনকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শ্বেতা মিশ্র নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ভারতের আধ্যাত্মিক শক্তি ও সনাতন ধর্মের গৌরব দেখার জন্য সারা বিশ্ব থেকে মানুষ আসছেন। সঙ্গমে স্নান করার পর হর হর গঙ্গা, হর হর মহাদেব বলছেন।

ডঃ আশুতোষ মিশ্র বলেন, মহাকুম্ভমেলার ঐশ্বরিক অনুষ্ঠনের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ব ভারতীয় সংস্কৃতি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির সাক্ষী হচ্ছে এবং কেন্দ্র ও উত্তরপ্রদেশ সরকার একসঙ্গে এটিকে ঐতিহাসিক করে তুলেছে।