Pandit Mohit Pandey salary: রামনবমীতে রাম লালার সূর্য তিলক! জানুন, নতুন পূজারী মোহিত পান্ডে কত বেতন পান এবং সূর্য তিলকের তাৎপর্য কী।

Ayodhya Ram Mandir priest salary : আজ রামনবমীর জাঁকজমক সারা দেশে তুঙ্গে। এই বছরের রামনবমী বিশেষ, কারণ এই প্রথম শ্রীরাম নবনির্মিত জন্মভূমি মন্দিরে বিরাজমান। লক্ষ লক্ষ ভক্তের উপস্থিতিতে আজ অযোধ্যায় রাম লালার সূর্য তিলক হতে চলেছে। এই ঐতিহাসিক উপলক্ষ অযোধ্যাকে বিশ্বাসের কেন্দ্রে এনে দাঁড় করিয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

২২ জানুয়ারি ২০২৪-এ শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল, যার সাথে রাম লালার বিধি-অনুসারে প্রাণ প্রতিষ্ঠা সম্পন্ন হয়। সম্প্রতি মন্দিরের প্রধান পূজারী আচার্য সত্যেন্দ্র দাসের প্রয়াণের পর এখন পণ্ডিত মোহিত পান্ডেকে নতুন প্রধান পূজারী নিযুক্ত করা হয়েছে, যিনি রাম লালার পূজা-অর্চনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

পণ্ডিত মোহিত পান্ডে কত বেতন পান?

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, রাম মন্দির ট্রাস্টের দ্বারা পণ্ডিত মোহিত পান্ডেকে ₹৩২,৯০০ মাসিক বেতন দেওয়া হয়। মন্দিরে কর্মরত সহকারী পূজারীদের ₹৩১,০০০ প্রতি মাসে বেতন দেওয়া হয়। এই বেতন আগে ছিল যথাক্রমে ₹২৫,০০০ এবং ₹২০,০০০, যা পরে বাড়ানো হয়েছে। প্রধান পূজারীকে বেতন ছাড়াও মন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে অনেক প্রয়োজনীয় সুবিধা দেওয়া হয়, যার মধ্যে আবাস, যাত্রা, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা, এবং পূজা সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় জিনিস অন্তর্ভুক্ত।

কে এই পণ্ডিত মোহিত পান্ডে?

পণ্ডিত মোহিত পান্ডে পূজারী পদের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদিক প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পূর্ণ করেছেন। তিনি সামবেদে অধ্যয়ন করেছেন এবং ভেঙ্কটেশ্বর বৈদিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আচার্যের ডিগ্রি লাভ করেছেন। এছাড়াও তিনি দুধেশ্বর বেদ বিদ্যাপীঠে বহু বছর ধরে ধর্ম ও অনুষ্টানগুলির গভীর অধ্যয়ন করেছেন।

জেনে নিন সূর্য তিলকের তাৎপর্য কী? (Ram Mandir Surya Tilak significance)

রামনবমীর দিনে সূর্যের সরাসরি রশ্মি শ্রীরামলালার কপালে পড়ে, যাকে সূর্য তিলক বলা হয়। এই আয়োজন জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় গণনা এবং পরম্পরার ভিত্তিতে বিশেষভাবে তৈরি করা হয়। এই ঘটনা শুধু ধার্মিক নয়, वैज्ञानिक दृष्टिकोण থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই ঐতিহাসিক দিনটিকে কেন্দ্র করে সারা দেশ থেকে ভক্তরা অযোধ্যায় এসেছেন। রাম জন্মভূমি চত্বরের আশেপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মন্দির ট্রাস্ট এবং জেলা প্রশাসন ভক্তদের সুবিধার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।