উত্তরপ্রদেশ সরকার রাজ্যের SC পড়ুয়াদের জন্য ৬টি আধুনিক হোস্টেল তৈরি করতে চলেছে। PM-AJAY যোজনার আওতায় এর জন্য ১২.৩০ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। এই হোস্টেলগুলিতে সব আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে, যাতে পড়ুয়ারা পড়াশোনা ও থাকার ভালো পরিবেশ পায়।

লখনউ: যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ সরকার রাজ্যের তফসিলি জাতি (SC) পড়ুয়াদের জন্য ভালো পড়াশোনা আর আধুনিক থাকার ব্যবস্থা করতে लगातार কাজ করে চলেছে। এই লক্ষ্যেই সমাজকল্যাণ দপ্তর, কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্যে রাজ্যে ৬টি আধুনিক হোস্টেল তৈরি ও মেরামতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

PM-AJAY যোজনা ২০২৫-২৬: ১২.৩০ কোটি টাকা মঞ্জুর

প্রধানমন্ত্রী અનુસૂચિત জাতি অভ্যুদয় যোজনা (PM-AJAY)-র আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য মোট ১২.৩০ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তির ৬.১৫ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সামাজিক ন্যায়বিচার এবং শিক্ষায় সমান সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।

জৌনপুর, সুলতানপুর, হাথরস ও ফিরোজাবাদে তৈরি হবে হোস্টেল

এই যোজনার অধীনে জৌনপুর, সুলতানপুর এবং হাথরসে একটি করে হোস্টেল তৈরি করা হবে। অন্যদিকে, ফিরোজাবাদে তৈরি হবে তিনটি হোস্টেল। এই সবকটি হোস্টেলকেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সহ একটি ক্যাম্পাসের মতো করে গড়ে তোলা হবে, যাতে প্রত্যন্ত এলাকার পড়ুয়ারা থাকার ভালো সুবিধা পায়।

আধুনিক সুবিধা: হোস্টেল হবে “লার্নিং হাব”

এই হোস্টেলগুলিতে পড়ুয়াদের জন্য সাজানো-গোছানো ঘর, আধুনিক মেস, বিনোদনের জন্য ঘর, লাইব্রেরি, নিরাপত্তার জন্য গার্ড রুম এবং সুপারের থাকার ব্যবস্থা থাকবে। সরকারের লক্ষ্য শুধু থাকার জায়গা তৈরি করা নয়, বরং এই হোস্টেলগুলিকে একটি সম্পূর্ণ “লার্নিং হাব” হিসেবে গড়ে তোলা।

স্বচ্ছতা ও গুণমানের উপর বিশেষ নজর

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্ব) অসীম অরুণ জানিয়েছেন যে, তৈরির কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে SNA (স্পর্শ) অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা খরচ করা হচ্ছে। পাশাপাশি, কাজটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এবং ভালো গুণমান বজায় রেখে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যোগী সরকারের ফোকাস সবাইকে নিয়ে উন্নয়ন ও শিক্ষায়

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে সবাইকে নিয়ে উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই যোজনা SC পড়ুয়াদের ভালো সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের আত্মনির্ভর এবং প্রতিযোগিতামূলক হতেও সাহায্য করবে। এর ফলে রাজ্যে শিক্ষার পরিকাঠামো আরও মজবুত হবে এবং সামাজিক সমতা বাড়বে।