ইউজারদের অনুমতি ছাড়া কথোপকথন শোনা বা তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য ৬৮ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ গুগলের।

ব্যবহারকারীদের অজান্তে গোপন কথা রেকর্ড ও ব্যক্তিগত তথ্য 'চরবৃত্তি'র মতো সংগ্রহের অভিযোগে গুগল বড়সড় আইনি ও আর্থিক জরিমানার মুখে পড়েছে। গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের মাধ্যমে কথোপকথন শোনার অভিযোগে প্রায় $৬৮$ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৮২৪ কোটি টাকার বেশি) ক্ষতিপূরণ দিয়ে মামলা নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে গুগল, যা গোপনীয়তা লঙ্ঘন নিয়ে তাদের বিশ্বস্ততায় বড় প্রশ্নচিহ্ন তুলেছে ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

*মামলার বিস্তারিত এবং ‘চরবৃত্তি’র অভিযোগ:*

• ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট বিতর্ক: অভিযোগ ছিল যে, গুগলের ‘ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট’ (Google Assistant) ব্যবহারকারীরা সক্রিয় না করলেও তাঁদের কথাবার্তা রেকর্ড করছিল ।

• গোপনীয়তা লঙ্ঘন: এই কথোপকথনগুলো তৃতীয় পক্ষের দ্বারা বিশ্লেষণের জন্য সংরক্ষণ করা হতো, যা ব্যবহারকারীর চরম গোপনীয়তা লঙ্ঘন ।

• আইনি পদক্ষেপ: এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে গুগলকে এই বিপুল অংকের জরিমানা দিতে হচ্ছে।

*গুগলের বিরুদ্ধে ওঠা মূল অভিযোগসমূহ*:

১. অনুমতি ছাড়া তথ্য সংগ্রহ: ব্যবহারকারীর অনুমতি না নিয়েই গোপন কথোপকথন রেকর্ড ও সংরক্ষণ করা ।

২. তথ্যের অপব্যবহার: সংগৃহীত তথ্য ব্যবহারকারীদের ট্র্যাকিং এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহার করা ।

৩. অস্পষ্ট গোপনীয়তা নীতি: ব্যবহারকারীদের পরিষ্কারভাবে না জানিয়েই তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া চালু রাখা।

*জরিমানা ও বর্তমান অবস্থা*:

• মিলিয়ন ডলার জরিমানা: দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া এবং মামলার খরচ এড়াতে গুগল এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে আপস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।

• বিচারকদের রায়: যদিও গুগল "ইচ্ছাকৃত বিদ্বেষ" করেনি বলে দাবি করা হয়েছিল, তবুও আদালত প্রাথমিক পর্যায়ে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের জন্য তাদের দায়ী করেছে ।

• গুগলের প্রতিক্রিয়া: গুগল জানিয়েছে যে এই সিদ্ধান্ত তাদের কাজের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝির ফল, তবুও তারা আইনি জটিলতা এড়াতে এই নিষ্পত্তি করছে।

এই ঘটনাটি গুগল ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা এবং ডেটা প্রাইভেসি নিয়ে আবারও বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।