হোয়াটসঅ্যাপ বর্তমানে দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। চ্যাটিং, ছবি-ভিডিও আদানপ্রদান থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ নথি পাঠানো সব কাজেই এই অ্যাপের ব্যবহার বাড়ছে।

WhatsApp-এ যাচাই না করা খবর, উস্কানিমূলক বার্তা, চাইল্ড পর্নোগ্রাফি, বা কারো অনুমতি ছাড়া আপত্তিকর ছবি/ভিডিও শেয়ার করা কঠোরভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ। IT Act-এর ৬৬E এবং ৬৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, এই ধরণের বার্তা ফরোয়ার্ড করলে বা গ্রুপে অ্যাডমিন হিসেবে অনুমতি দিলে আপনার জেল ও জরিমানা উভয়ই হতে পারে, এমনকি অ্যাকাউন্টও স্থায়ীভাবে বন্ধ (Ban) করে দেওয়া হতে পারে। ও

WhatsApp-এ কোন বার্তাগুলো পাঠাবেন না (বিস্তারিত):

ভুল তথ্য বা গুজব (Fake News/Rumors): সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে এমন বার্তা, বা কোনো যাচাই না করা সংবেদনশীল খবর শেয়ার করা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। এটি সাইবার অপরাধের আওতায় পড়ে।

চাইল্ড পর্নোগ্রাফি বা আপত্তিকর কন্টেন্ট:

যেকোনো ধরণের পর্নোগ্রাফিক, বিশেষ করে চাইল্ড পর্নোগ্রাফি সংবলিত ছবি বা ভিডিও পাঠানো বা সংরক্ষণ করা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ।

ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি (Private Data): অনুমতি ছাড়া কারো ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও বা তথ্য শেয়ার (Private Photo Sharing) করা, যা কারো ভাবমূর্তি নষ্ট করে।

উস্কানিমূলক বা হুমকি-মূলক বার্তা: ধর্মীয়, রাজনৈতিক বা জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানো, কাউকে ভয় দেখানো বা হয়রানি না করা।

ফিশিং বা স্ক্যাম লিংক (Phishing Links): কোনো অফারের নামে বা ভুয়া লিঙ্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য (ব্যাংক ডিটেইলস, পাসওয়ার্ড) চুরির চেষ্টা।

আইনি ঝুঁকির কারণ: WhatsApp-এর 'End-to-End Encryption' থাকলেও, কোনো ব্যবহারকারী যদি আপনার মেসেজের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেন, তবে Meta তা পর্যালোচনা করে এবং গুরুতর ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে (পুলিশ) তথ্য সরবরাহ করতে পারে। গ্রুপ অ্যাডমিনরাও তাদের গ্রুপে শেয়ার করা অবৈধ কন্টেন্টের জন্য আইনত দায়ী হতে পারেন।

সতর্কতা: যেকোনো মেসেজ ফরোয়ার্ড করার আগে তার সত্যতা যাচাই করুন। অপরিচিত নম্বর থেকে আসা সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক বা শেয়ার করবেন না। কারো অনুমতি ছাড়া ছবি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।