সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে লাগে ৩৫৫ দিন! পৃথিবীর মতই নতুন গ্রহের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা
News Planate: নতুন একটি গ্রহের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। যার সঙ্গে এই পৃথিবীর একাধিক মিল রয়েছে। বিজ্ঞানীদের কথায় এই গ্রহ কোনও না কোনও দিন মানুষের বাসযোগ্য হতেই পারে।

নতুন গ্রহের সন্ধান
মহাকাশে নতুন একটি গ্রহের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। গ্রহটির সঙ্গে পৃথিবীর অনেক মিল রয়েছে। কিন্তু সেটি পৃথিবীর থেকে মাত্র ১৫০ আলোকবর্ষ দূরে।
অবিকল পৃথিবী
সম্প্রতি মহাকাশ বিজ্ঞানীরা একের পর নতুন গ্রহের সন্ধান পেয়ে থাকে। তাতে নতুনত্বের কিছু নেই। কিন্তু এবার যে গ্রহটির সন্ধান তারা পেয়েছেন সেটি রীতিমত চমকে দেওয়ার মত। কারণ সেই গ্রহের সঙ্গে পৃথিবীর প্রচুর মিল রয়েছে। অবিকল পৃথিবী বললে খুব একটা ভুল হয় না।
পৃথিবীর সঙ্গে মিল
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সূর্যের থেকে দূরত্ব, কক্ষপথের অবস্থান এজাতীয় প্রচুর মিল রয়েছে। বিজ্ঞানীদের অনুমান নতুন সন্ধান পাওয়া গ্রহটি পৃথিবীর মত মানুষের বাসযোগ্য হলেও হতে পারে।
নতুন গ্রহের দূরত্ব
পৃথিবী থেকে নতুন গ্রহের দূরত্ব ১৫০ অলোকবর্ষেরও কম। নতুন গ্রহের নাম বিজ্ঞানীরা দিয়েছেন HD-137010B।
পৃথিবীর সঙ্গে তুলনা
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন নতুন গ্রহটি পৃথিবীর তুলনায় আকারে একটি বড়। প্রায় ১.২ গুণ বেশি। তবে এই গ্রহটি হিমশিতল একটি গ্রহ।
বিজ্ঞানীদের নজর গ্রহটির নক্ষত্রের দিকে
বিজ্ঞানীদের যাবতীয় আগ্রহ ও কৌতূহল গ্রহটির নক্ষত্রকে নিয়ে। গ্রহটি যে নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে সেটির নাম HD-137010। এটি একটি বামন নক্ষত্র।
প্রদক্ষিণের সময়
বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, বামন নক্ষত্রটির ভর সূর্যের ভরের ৭০ শতাংশ। এই নক্ষত্রকে নতুন গ্রহটি প্রদক্ষণ করতে সময় নেয় ৩৫৫ দিন , অর্থাৎ পৃথিবীর হিসেবে ১০ দিন কম এক বছর।
মানুষের বাসযোগ্য
বিজ্ঞানীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু গ্রহটির কক্ষপথ। কারণ নক্ষত্র থেকে যতটা দূরে কোনও গ্রহ থাকলে তা মানুষের বাসবাসের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে সেই সেখানেই গ্রহটির অবস্থান। গ্রহটির সঙ্গে পৃথিবীর কক্ষপথের মিল রয়েছে ৫১ শতাংশ।
কক্ষপথের মিল
সূর্যের সঙ্গে নতুন নক্ষত্রটির তুলনাতেও আশার আলো দেখা যাচ্ছে। এই নক্ষত্রের তেজ সূর্যের চেয়ে কম। কিন্তু আয়ু তুলনামূলক বেশি। সূর্যের চেয়ে অনেক বেশি দিন এই নক্ষত্র সক্রিয় থাকতে পারবে মহাকাশের বুকে। যত দিন নক্ষত্র সক্রিয় থাকবে, তত দিন অস্তিত্ব থাকবে গ্রহেরও। অন্তত নক্ষত্রের তাপে ঝলসে খুব শীঘ্র এই গ্রহের মৃত্যুর সম্ভাবনা দেখছেন না বিজ্ঞানীরা।
পৃথিবীর সঙ্গে তুলনায়
এটাই প্রথম গ্রহ, যার ব্যাসার্ধ ও কক্ষপথের বৈশিষ্ট্য পৃথিবীর মতো। সূর্যের মতো নক্ষত্রকে এই গ্রহ প্রদক্ষিণ করে। ভবিষ্যৎ পর্যবেক্ষণের জন্য এই গ্রহ উজ্জ্বল।

