- Home
- Technology
- Camera Scrap Price: প্রতি কেজি আড়াই লক্ষ টাকা, পুরনো ফোনের ক্যামেরা এত দামে বিক্রি হয়?
Camera Scrap Price: প্রতি কেজি আড়াই লক্ষ টাকা, পুরনো ফোনের ক্যামেরা এত দামে বিক্রি হয়?
পুরনো বা খারাপ হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের ক্যামেরা নাকি কেজি প্রতি আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়—সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন দাবি প্রায়ই দেখা যায়। দিল্লির বিভিন্ন স্ক্র্যাপ মার্কেট ও সোশ্যাল মিডিয়া রিলেও এই দাবি ঘুরছে।

পুরনো বা খারাপ হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের ক্যামেরা নাকি কেজি প্রতি আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়—সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন দাবি প্রায়ই দেখা যায়। দিল্লির বিভিন্ন স্ক্র্যাপ মার্কেট ও সোশ্যাল মিডিয়া রিলেও এই দাবি ঘুরছে। কিন্তু সত্যিই কি পুরনো মোবাইলের ক্যামেরার স্ক্র্যাপের দাম এত বেশি?

আসলে পুরনো মোবাইল ফোন স্ক্র্যাপ করার সময় ফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আলাদা করে নেওয়া হয়। ক্যামেরা মডিউলও তার মধ্যে অন্যতম। পরে ক্যামেরাগুলিকে মডেল, গুণমান ও অবস্থার ভিত্তিতে আলাদা করে বিক্রি করা হয়। সব ক্যামেরার দাম অবশ্য এক নয়।
পুরনো ও নতুন স্মার্টফোনের মিশ্র স্ক্র্যাপ লটে সাধারণ ক্যামেরা মডিউলের দাম প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা প্রতি পিস বা তারও কম হতে পারে। তুলনায় ভালো মানের স্মার্টফোনের ক্যামেরা মডিউলের দাম কিছুটা বেশি হতে পারে। ক্যামেরার ভিতরে থাকা কানেক্টর, কিছু মূল্যবান ধাতুর অংশ এবং অন্যান্য উপাদান পুনর্ব্যবহারের কাজে লাগে। তাই স্ক্র্যাপ হিসেবে ক্যামেরা মডিউলেরও আলাদা মূল্য রয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ১.২ লাখ থেকে ২.৫ লাখ টাকা প্রতি কেজি পর্যন্ত দামের দাবি করা হলেও, সাধারণ মোবাইল ক্যামেরা স্ক্র্যাপের ক্ষেত্রে কেজিতে আড়াই লাখ টাকা দামের দাবির নির্ভরযোগ্য প্রমাণ মেলে না। বাজারে ক্যামেরার দাম নির্ভর করে ফোনের মডেল, ক্যামেরার মান, স্ক্র্যাপের গ্রেড, চাহিদা এবং বিক্রির পদ্ধতির উপর। কিছু প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের ক্যামেরা স্ক্র্যাপের দাম বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রায় ৫০ হাজার থেকে ১.২২ লাখ টাকা প্রতি কেজি পর্যন্ত হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড বা কীপ্যাড ফোনের ক্যামেরা স্ক্র্যাপের দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম—প্রায় ১৫ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা প্রতি কেজির আশপাশে হতে পারে।
অর্থাৎ, পুরনো মোবাইলের ক্যামেরা যে মূল্যহীন নয়, তা ঠিক। তবে প্রতিটি মোবাইলের ক্যামেরা কেজিতে আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি হয়—এমন দাবি ঠিক নয়। কোথাও ক্যামেরা পিস হিসেবে, আবার কোথাও নির্দিষ্ট গ্রেড অনুযায়ী কেজি দরে বিক্রি হয়।