Neutrinos: প্রতি সেকেন্ডে ১০০ ট্রিলিয়ন কণা আমাদের শরীর ভেদ করছে?
মহাকাশ থেকে ছুটে এসে আমাদের শরীর থেকে শুরু করে পৃথিবীর সবকিছুই বিনা বাধায় ভেদ করে চলে যায় 'নিউট্রিনো'। এই কণাগুলো বিজ্ঞানীদের সবসময়ই অবাক করে। সূর্যের কেন্দ্রে ঘটা নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া থেকেই মূলত এদের জন্ম।

ভুতুড়ে কণা বা ঘোস্ট পার্টিকেল
মহাকাশ থেকে ছুটে এসে আমাদের শরীর থেকে শুরু করে পৃথিবীর সবকিছুই বিনা বাধায় ভেদ করে চলে যায় 'নিউট্রিনো'। এই কণাগুলো বিজ্ঞানীদের সবসময়ই অবাক করে। সূর্যের কেন্দ্রে ঘটা নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া থেকেই মূলত এদের জন্ম। মার্ভেল কমিকসের চরিত্র 'জাগারনাট'-এর মতো এরাও যেকোনো বাধা অনায়াসে পার হয়ে যেতে পারে।

শরীর ভেদ করে যাওয়া কণা
নেভাডা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক মাইকেল প্রাভিকার মতে, প্রতি সেকেন্ডে আমাদের প্রত্যেকের শরীর ভেদ করে প্রায় ১০০ ট্রিলিয়ন নিউট্রিনো চলে যাচ্ছে। আলোর কণার মতো না হয়ে, নিউট্রিনো নিজের উৎপত্তিস্থলের তথ্য বহন করে। উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক লু লু জানান, এদের বেশিরভাগই সূর্যের নিউক্লিয়ার ফিউশন থেকে তৈরি হলেও, কিছু কণা অনেক দূরের মহাকাশ থেকেও আসে।
চার্জ ও ভরহীন কণা
অন্যান্য কণার মতো নিউট্রিনোর কোনো বৈদ্যুতিক চার্জ বা ভর নেই। এই কারণে এদের খুঁজে বের করা বা শনাক্ত করা ভীষণ কঠিন। আর ঠিক এই কারণেই বিজ্ঞানীরা এদের 'ঘোস্ট পার্টিকেল' বা ভুতুড়ে কণা বলে ডাকেন।
ইতিহাস ও গবেষণা
মার্কিন শক্তি দপ্তরের (DoE) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৩০ সালে নিউট্রিনোর অস্তিত্বের কথা প্রথম জানা যায়। তবে বাস্তবে এর খোঁজ পেতে সময় লাগে ২৬ বছর। বিজ্ঞানীরা এখন এর ভর এবং পদার্থের সঙ্গে এর সম্পর্ক বোঝার চেষ্টা করছেন। কিছু বিজ্ঞানীর ধারণা, বিগ ব্যাংয়ের পর অ্যান্টিম্যাটার বা প্রতিপদার্থ কীভাবে উধাও হয়ে গেল, তার উত্তর লুকিয়ে থাকতে পারে এই নিউট্রিনোর মধ্যেই।







