মাস দুই পরই পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করতে পারে আরও একটি ছোট আকারের চাঁদ, যাকে নাসার বিজ্ঞানীরা মিনি মুন বলছেন। তাঁরা জানিয়েছেন পৃথিবীর ২৭,০০০ মাইল দূরের এক কক্ষপথে সেই পুঁচকে চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করবে। তবে বিজ্ঞানীরা সন্দেহ করছেন পৃথিবীর দিকে ধাবিত মহাজাগতিক কোনও গ্রহাণু না হয়ে পুরানো কোনও মহাকাশ বর্জও হতে পারে।

নাসার সেন্টার ফর নিয়ার আর্থ অবজেক্ট অর্থাৎ পৃথিবীর কাছথাকাছি আসা মহাজাগতিক বস্তুগুলিকে যে কেন্দ্র থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়, সেকানকার গবেষকরা বলছেন বস্তুটি সম্ভবত ১৯৬০ এর দশকের পুরোনো কোনও বুস্টার রকেট। অর্থাৎ মহাকাশ যানকে পৃথিবীর সীমা অতিক্রম করানোর জন্য যে রকেট ব্যবহার করা হয়, সেগুলির একটি। কারণ মহাজাগতিক বস্তুটি সূর্যের চারিদিকে এমন একটি কক্ষপথ অনুসরণ করছে যা পৃথিবীর কক্ষপথের প্রায় একই সমতলে রয়েছে। চাঁদে অভিযানের সময় রকেটগুলি মূসল যান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর চাঁদের পাশ কাটিয়ে সূর্যের যে কক্ষপথে প্রবেশ করে, এটি সেইরকমি এক কক্ষপথে রয়েছে।

নভেম্বর মাসের শেষদিকে এই মহাজাগতিক বস্তুটি পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করবে। যদি সেটি গ্রহাণু হয় তবে তাকে মিনি-মুন হিসাবে বিবেচনা করা হবে। আর পুরোনো রকেট হলে, মহাকাশের ভাসমান মহাকাশযান ও উপগ্রহের ধ্বংসাবশেষের মহাকাশ আবর্জনায় স্তূপে একটি নতুন সংযোজন হবে। আগামী এক মাসের মধ্যেই বস্তুটি রকেট না গ্রহাণু তা জানা যাবে। তবে সূর্যের কক্ষপথে চলে যাওয়া রকেটগুলির পৃথিবীর কক্ষপথে ফিরে আসার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। এতদিনের মধ্যে মাত্র একটি রকেটই পৃথিবীর কক্ষপথে ফিরে এসেছে।