ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে অনেক আগে থেকেই বিজ্ঞানীরা নানা মতামত দিয়ে এসেছেন।  ব্ল্যাক  হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর সম্পর্কে  বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং আগেই নিজের মতামত দিয়েছিলেন। সেই কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে নতুন  তথ্য দিলেন একদল মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী। আমাদের সৌরজগৎ বা মিল্কি ওয়েতে নতুন ধরনের কৃষ্ণগহ্বর  রয়েছে বলে তাঁরা ধারণা করছেন। তবে একটা নয়, এই ধরনের একাধিক কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান পেয়েছেন তাঁরা। এই বিষয়ে তাঁরা বেশ কিছু প্রমাণ পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, আগে বেশ কিছু কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে আন্দাজ করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। এই কৃষ্ণগহ্বর তাদের থেকে আকারে অনেকটা ছোট বলেই আন্দাজ করা হচ্ছে। 

ওহিও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানী টড থম্পসন জানিয়েছেন, যে কৃষ্ণগহ্বরের হদিশ পাওয়া গিয়েছে,  সেই বিষয়ে প্রাথমিক একটা ধারণা করা গিয়েছে। তবে এই বিষয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি। কোনও নক্ষত্রের মৃত্যু ঘটলে বা ধ্বংস হয়ে গেলে সাধারণত কৃষ্ণগহ্বরের সৃষ্টি হয়ে থাকে। তাদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতটাই বেশি, সেখান থেকে কোনও আলো  বের হতে পারে না।  এই কৃষ্ণগহ্বরগুলোকে সাধারণত ছায়াপথের মাঝখানে থাকতে দেখা যায়। কিন্তু সব সময় কৃষ্ণগহ্বরের অবস্থান যে একরকম হবে, তার কোনও মানে নেই।  বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যখন কোনও নক্ষত্রের মৃত্যু হয়, তখন তারা ছোট ছোট নিউট্রন নক্ষত্র তৈরি করে। এগুলো অবিশ্বাস্য রকমের ঘন। থম্পসন  জানিয়েছেন, এই বিষয়ে এখনও অনেক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। 

তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তাঁরা যদি শুধু ছায়াপথের ঠিক কেন্দ্রে অবস্থিত কৃষ্ণগহ্বরের বিষয়ে গবেষণা করেন, তাহলে অন্যান্য কৃষ্ণগহ্বরের ম্পর্কে অনেক জানান তথ্য অধরা থেকে যাবে। গবেষকরা এখন মূলত কীভাবে ব্যাপক বিস্ফোরণের পর শক্তিশালী নিউট্রন নক্ষত্রের সৃষ্টি হয়েছে, সেই বিষয়েই গবেষণা  করছে। বিজ্ঞানীরা জানার চেষ্টা করছে, এই কৃষ্ণগহ্বর কী ধরনের পদার্থ দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে। থম্পসন জানিয়েছেন, এই গবেষণার মাধ্যমেই আমরা জানতে পারব, কোন কোন নক্ষত্রের মৃত্যুর পর নিউট্রন নক্ষত্র বা কৃষ্ণগহ্বরের সৃষ্টি হয়েছে।