- Home
- World News
- International News
- US-Iran Tensions: ট্রাম্পের হুমকিতে কি নুইয়ে পড়বে ইরান? জেনেভায় পরমাণু আলোচনা, আড়ালে যুদ্ধের ছক!
US-Iran Tensions: ট্রাম্পের হুমকিতে কি নুইয়ে পড়বে ইরান? জেনেভায় পরমাণু আলোচনা, আড়ালে যুদ্ধের ছক!
US-Iran Tensions: ট্রাম্পের হুমকিতে কি নুইয়ে পড়বে ইরান? জেনেভায় পরমাণু আলোচনা, আড়ালে যুদ্ধের ছক!
113

Image Credit : Getty
জেনেভায় তৃতীয় দফার পরমাণু আলোচনা
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে তৃতীয় দফার পরমাণু আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, চুক্তি না হলে ইরানে হামলা হবে। অন্যদিকে, যে কোনও হামলা মোকাবিলার জন্য তৈরি ইরানও। ইরানের চারপাশে মার্কিন সেনার বিশাল বহর, আর সীমান্তে ব্যালিস্টিক মিসাইল সাজিয়ে রেখেছে ইরান।
213
Image Credit : Getty
ইরানের হয়ে আব্বাস আরাকচি
এবারেও আলোচনার মধ্যস্থতা করছেন ওমানের বিদেশমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি। ইরানের হয়ে বিদেশ উপমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এবং আমেরিকার হয়ে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার অংশ নিয়েছেন। তবে পরমাণু চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা এখনও বেশ কম।
313
Image Credit : Getty
ট্রাম্পের আত্মবিশ্বাস
ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বাস, সেনা মোতায়েন ও হামলার হুমকি দিয়েই ইরানকে শান্তি চুক্তিতে সই করানো যাবে। তাঁর প্ল্যান হল, হুমকি না মানলে ছোট-বড় হামলা করে চাপ আরও বাড়ানো। কিন্তু এই চাপের খেলায় ইরান আদৌ নত হবে কিনা, তা নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতেই সংশয় রয়েছে।
413
Image Credit : Getty
বিপরীত অবস্থান
আমেরিকা চায়, ইরান পুরোপুরি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করুক। কিন্তু ইরানের দাবি, পরমাণু চুক্তি অনুযায়ী তাদের এই অধিকার রয়েছে। এই দুই বিপরীত অবস্থানের কারণেই আগের সব আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। ট্রাম্প এখন চাপ বাড়িয়ে ইরানকে চুক্তিতে বাধ্য করতে চাইছেন।
513
Image Credit : Getty
প্ল্যান বি
আলোচনা ব্যর্থ হলে আমেরিকার হাতে একটি 'প্ল্যান বি' রয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান রাফায়েল গ্রোসি এই প্রস্তাব দেন। সেই অনুযায়ী, ইরান সীমিতভাবে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ করতে পারবে, তবে শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য। এতে দুই পক্ষেরই মুখরক্ষা হবে।
613
Image Credit : Getty
ট্রাম্প যা বলেছিলেন
প্রশ্ন হল, ইরান কি শুধু চিকিৎসার প্রয়োজনে পরমাণু কর্মসূচি সীমাবদ্ধ রাখতে রাজি হবে? আর আমেরিকা কি 'সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ'-এর দাবি থেকে সরবে? মঙ্গলবার 'স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন' ভাষণে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানকে দিয়ে বলানোই তাঁর লক্ষ্য যে তারা কখনও পরমাণু অস্ত্র বানাবে না।
713
Image Credit : Getty
ড্যান কেইন যা স্পষ্ট করেছেন
মার্কিন সেনার শীর্ষকর্তারাও মনে করেন না কাজটা সহজ। জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন গত সপ্তাহে এক বৈঠকে স্পষ্ট জানান, ছোট বা মাঝারি হামলাও শুধু ইরান নয়, আমেরিকার জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। এতে মার্কিন সেনার জীবন বিপন্ন হবে এবং অস্ত্রভাণ্ডারেও প্রভাব পড়বে।
813
Image Credit : Getty
পল ডি. ইটন যা বলেছেন
ইরাক যুদ্ধে অংশ নেওয়া অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল পল ডি. ইটন 'নিউ ইয়র্ক টাইমস'-কে বলেন, 'মার্কিন হামলা শুরু হলে, ইরানের দিক থেকে অন্তত ১০০টি মিসাইল হামলার জন্য তৈরি থাকতে হবে। ইজরায়েলের মতো 'আয়রন ডোম' বা বাঙ্কার ব্যবস্থা পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সেনাদের নেই।'
913
Image Credit : Getty
জোসেফ স্যাক্স যা বলছেন
প্রাক্তন সিআইএ কর্তা জোসেফ স্যাক্সের মতে, ট্রাম্পের কথায় ইরান পরমাণু কর্মসূচি ছাড়বে না। তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সংঘাতের পথে হাঁটা বুমেরাং হতে পারে। এতে ইরান তাদের অবস্থান আরও কঠোর করতে পারে। জোসেফ বর্তমানে 'ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অফ ডেমোক্রেসিস'-এর সদস্য।
1013
Image Credit : Getty
নিউ ইয়র্ক টাইমস রিপোর্ট
'নিউ ইয়র্ক টাইমস' দুই মার্কিন সেনা কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে রিপোর্ট করেছে, পশ্চিম এশিয়ায় সেনা বাড়ালেও দীর্ঘমেয়াদী হামলার মতো শক্তি বা गोला-বারুদ আমেরিকার হাতে নেই। একজন কর্মকর্তা জানান, মোতায়েন করা বাহিনী একটানা মাত্র ৭ থেকে ১০ দিন হামলা চালাতে পারবে।
1113
Image Credit : Getty
আমেরিকাতেও പ്രതിഷേധ
ট্রাম্পের ইরান নীতির বিরুদ্ধে আমেরিকাতেও প্রতিবাদ বাড়ছে। সমালোচকদের মতে, ট্রাম্প আমেরিকানদের বোঝাতে পারেননি কেন এই যুদ্ধ দরকার। হাউস ইন্টেলিজেন্স কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্য জিম হাইমস বলেন, প্রেসিডেন্ট এখনও যুদ্ধের লক্ষ্য স্পষ্ট করেননি।
1213
Image Credit : Getty
ট্রাম্পের বিদেশনীতি
আর্মড সার্ভিসেস কমিটির সেনেটর জ্যাক রিড এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ট্রাম্পের বিদেশনীতি আসলে একটা 'শো'। তাঁর কথায়, 'ট্রাম্প ভাবেন তাঁর শো দেখে বিরোধীরা আত্মসমর্পণ করবে। যখন তারা তা করে না, তখন প্রেসিডেন্ট শুধু জয় ঘোষণা করে পরের বিষয়ে চলে যান।'
1313
Image Credit : Getty
প্রতীকী লক্ষ্য
কিছু প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ইরানে হামলা হলে ট্রাম্প দুটি প্রতীকী লক্ষ্য পূরণ করতে পারবেন। এক, পুরনো শত্রুর বিরুদ্ধে সামরিক জয়ের দাবি। দুই, ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি ছাড়তে বাধ্য করা। তবে বিশ্লেষণ বলছে, কাজটা মোটেই সহজ হবে না।
Latest Videos