Asianet News Bangla

মোদী-কে শংসা দিয়ে কোনঠাসা ট্রাম্প, মার্কিন নির্বাচনেও ইস্যু দিল্লির হিংসা

মার্কিন নির্বাচনে ইস্যু হয়ে দাঁড়ালো দিল্লির হিংসা

ভারত ছাড়ার আগে ট্রাম্প দিল্লির হিংসা-কে লঘু করে দেখিয়েছিলেন

তারপর থেকেই মার্কিন য়ুক্তরাষ্ট্র থেকে একের পর এক কড়া প্রতিক্রিয়া আসা শুরু হয়েছে

দেশে কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন স্বয়ং ট্রাম্প

 

Bernie Sanders slams Trump, for his response to delhi violence
Author
Kolkata, First Published Feb 27, 2020, 8:54 AM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত ছাড়ার আগে দিল্লির হিংসার ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ছোট ঘটনা বলে লঘু করে দেখিয়েছিলেন। কিন্তু, মঙ্গলবার মার্কিন সেনেটররা ভারতের রাজধানীতে হিংসার বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের নাগরিকদের ভারতে আসার বিষয়ে সতর্কতাও জারি করা হয়। এর একদিন পরেই ডেমোক্র্যাটদের প্রেয়িডেন্ট পদপ্রার্থী বার্নি স্যান্ডার্স, মার্কিন প্রেসিডেন্ট-কে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই বিষয়ে একহাত নিলেন। ওয়াশিংটনে তিনি বলেন ট্রাম্প মানবাধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের রড়া নিন্দা করে বার্নি স্যান্ডার্স বলেছেন, ভারত সফরের সময় নয়াদিল্লির হিংসা নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য আসলে তাঁর 'নেতৃত্বের ব্যর্থতা'। বুধবার তিনি এক টুইট পোস্টে বলেন, ২০ কোটিরও বেশি মুসলমানের দেশ ভারত। মুসলিম-বিরোধী জন-বিরোধী হিংসায় কমপক্ষে ২৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ট্রাম্প 'এটা ভারতের বিষয়' বলে ছেড়ে দিয়েছেন। এটা মানবাধিকার নিয়ে তাঁর নেতৃত্বের ব্যর্থতা।

এর আগে আরেক মার্কিন ডেমোক্র্যাট সেনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন নয়াদিল্লিতে সিএএ-কে কেন্দ্র করে হিংসা-র বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। বুধবার ডেমোক্র্যাটদের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী সেনেটর এই ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

শুধু ডেমোক্র্যাটরা নয়, ট্রাম্পের নিজের দলের সেনেটররাও দিল্লি নিয়ে উদ্ববেগ প্রকাশ করেছেন। ডেমোক্র্য়আট সেনেটর মার্ক ওয়ার্নার এবং রিপাবলিকান জন কর্নিন বলেছেন যৌথ বিবৃতি দিয়ে বলেন, নয়াদিল্লির সাম্প্রতিক হিংসার ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন। ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে এই উদ্বেগের বিষয়ে একটি খোলামেলা আলোচনা করার কথা তুলেছেন তাঁরা।

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জেমি রাসকিন বলেছেন, তিনি এই ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং ধর্মান্ধ হিংসার ঘটনা দেখে আতঙ্কিত। বিদেশ সম্পর্কিত কাউন্সিলের প্রধান, রিচার্ড এন হ্যাস বলেছেন, ভারতের সাফল্যের অন্যতম কারণ মুসলিম সংখ্যালঘুরা নিজেদের ভারতীয় বলে গর্ব অনুভব করতে পারে। কিন্তু, রাজনৈতিক স্বার্থে 'পরিচয় রাজনীতি' করছে ভারত সরকার, তাতে এই পরিস্থিতিটা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। 'গুরুতর উদ্বেগ' প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কিত মার্কিন কমিশন-ও ভারত সরকারকে নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios