সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত, চিন ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছিলেন যে, এই তিনটি দেশ নাকি পরিবেশ দূষণ রোধে কোনওরকম ভুমিকা পালনই করে না। তাঁর দাবি ছিল, এই তিনটি দেশে এমন কিছু শহর রয়েছে, যেখানা গেলে সামান্য শ্বাস-প্রশ্বাস-টুকুও ঠিক করে নেওয়া যায় না। সেই তুলনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরিবেশ দূষণ রোধে অনেকটাই কার্যকর ভুমিকা পালন করেছে। 

এই ঘটনার খানিক্ষণ পরই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনিরাপদ ঘোষণা করল চিন। নিজের দেশেপ নাগরিকদের এদিন চিনা সরকার সতর্ক করে দেন যে, ভ্রমণের জন্য মার্কিন মুলুক একেবারেই নিরাপদ স্থান নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঘুরতে গেলে সেখানে পর্যটকদের খুন, ছিনতাই ও নিগ্রহের মুখে পড়তে হতে পারে বলে সাফ জানিয়ে দেয় সেদেশের সরকার। সম্প্রতি মার্কিন মুলুকে ঘটে যাওয়া একের পর এক হামলার ঘটনার কথা তুলে ধরে চিনের নাগরিকদের সাবধান করে দেয় সেদেশের সরকার। 

সম্প্রতি সেদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে, আমেরিকায় চুরি, ছিনতাই ও গোলাবর্ষণের যেসব ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এসেছে। তাই চিনের সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রক-এর পক্ষ থেকে সেদেশে ঘুরতে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে যে ঝুঁকির মুখে পড়তে হতে পারে সেই সেই বিষয়গুলি বিচার-বিবেচনা করে দেখার জন্য আবেদন জানিয়েছেন চিনের পর্যটকদের কাছে। 

পরিবেশ দূষণ নিয়ে কোনও চিন্তাই নেই! ট্রাম্পের তোপের মুখে ভারত-সহ তিন দেশ

পাকিস্তানের মৃতপ্রায় গ্রামে যেন প্রাণ সঞ্চার করলেন এই ভারতীয়

 

ইতিমধ্যেই চিনের শিক্ষা মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সেদেশের শিক্ষার্থীদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়ার ওপর সতর্কতা জারি করেছ। ফলে যেসব চিনা পড়ুয়ারা ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পড়শনো করার জন্য গিয়েছেন বা যাঁরা পড়তা যাওয়ার জন্য আবেদন করেছে, তাঁদের সকলের মধ্যেই একটা চাপা উত্তেজনা কাজ করছে। শুধু তাই নয়, এমন সতর্কতা জারি করার পর যে তা চিন-ভারত সম্পর্কের ওপরেও বিশেষ প্রভাব ফেলবে একথা বলাই বাহুল্য।