রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের (Joe Biden) কাছে রীতিমত ধাক্কা খেয়েই হোয়াইট হাউস থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাঁকে। কিন্তু তাঁর নাছোড় মনোভাবের জন্য ঘটছে ক্যাপিটাল হিলের ঘটনা। যে কারণে তিনি বর্তমানে নিজের দল রিপাব্লিকান পার্টির ঘরেও কিছুটা কোনঠাসা। তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। হার মানতে জানেন না। আর সেই কারণেই তিনি সবকিছু নতুন করে শুরু করতে চাইছেন। তেমনই বলছেন একটি মার্কিন (USA) সংবাদ পত্রের প্রতিবেদন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে নতুন রাজনৈতিক দল তৈরির জন্য তোড়জোড় শুরু করেছেন ট্রাম্প। আর সেই কারণেই ইতিমধ্যেই যোগাযোগ করতে শুরু করেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে নতুন দলটির নাম 'দ্যা প্যাট্রিয়ট পার্টি' রাখার পরিকল্পনা করেছেন তিনি। একটি সূত্র বলছে ট্রাম্পের নতুন এই পদক্ষেপ রীতিমত প্রভাবিত করবে সেদেশের চরম দক্ষিণপন্থী সমর্থকদের। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের মূল বক্তব্যই ছিল আমেরিকা ফার্স্ট আর আমেরিকান ফার্স্ট। যা জাতীয়তাবাদের প্রতীক বলেই মনে করেছিলেন সেদেশের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। জাতীয়তাবাদকে হাতিয়ার করেই ভোট যুদ্ধ কামাল করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প। সেটা অবশ্য এবছর নয়, গত নির্বাচনেও দেখা গিয়েছিল একই ছবি। ভোট যুদ্ধে পরাজয়ের পরেই তিনি সেই রাস্তা থেকে সরেছেন না বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁর ঘনিষ্ঠরা। 

৬৫ টাকায় আর কি পাওয়া যাবে না চিকেন বিরিয়ানি, তেমনই ঘোষণা ওম বিড়লার ..

ডোনাল্ড ট্রাম্পই প্রথন নন, তাঁর আগেও অনেকে নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণে অনুপস্থিত ছিলেন ...
ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেন তাহলে রিপাবলিকানদের কাছ থেকে তিনি বাধা পাবেন বলেও আশা করা হচ্ছে। কারণ দেশে নতুন কোনও দলের আগমণ হবে মার্কিন রাজনীতি এখন যেভাবে চলছে তাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেজ্ঞরা। ক্যাপিটাল হিলের ঘটনার পর ট্রাম্প এখনও পর্যন্ত শীর্ষ স্থানীয় রিপাবলিকান নেতৃত্বের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। কিন্তু দলের নিচু তলায় তাঁর জনপ্রিয়তা অক্ষুন্ন রয়েছে।  আগের ঘোষণা অনুযায়ী জো বাইডেনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবে না তিনি। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা আগেই। ট্রাম্প ওয়াশিংটন থেকে ফ্লোরিডার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তিনি। তবে নতুন প্রশাসনকে হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানালেও জো বাইডেনের নাম উচ্চারণ করেননি তিনি।