আস্তে আস্তে ভাঙছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পএই প্রথম বললেন হোয়াইট হাউস ছাড়ার কথাতবে তার জন্য চাপালেন এক শর্তএখনও অবশ্য তিনি নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করে যাচ্ছেন

এখনও নির্বাচনের রিগিং-এর অভিযোগ চালিয়ে গেলেও, আস্তে আস্তে তিনি ভাঙছেন। প্রথমবারের মতো ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখ দিয়ে বের হল হোয়াইট হাউস ছাড়ার কথা। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, জো বাইডেনকে মার্কিন নির্বাচনের বিজয়ী হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলেই তিনি সাদা বাড়িটা ছেড়ে দেবেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মার্কিন নির্বাচনে স্পষ্টতই জয় হয়েছে জো বাইডেনের। ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটেও জিতেছেন তিনি, পপুলার ভোটেও তাঁরই জয় হয়েছে। প্রায় প্রতিটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাও জো বাইডেনকে পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এমনকী ট্রাম্পের দল এবং তাঁর পরিবারও ট্রাম্পকে হার মেনে নিতে পরামর্শ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু, ট্রাম্প নিজে কিছুতেই এই ফলাফল স্বীকার করছেন না। ব্যালট চুরি সম্পর্কিত বিস্ময়কর সব তত্ত্ব ছড়িয়ে দিচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর সেইসঙ্গে তাঁর প্রচার দল মার্কিন আদালতে একের পর এক ভিত্তিহীন আইনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ছে। তাঁর এই প্রচেষ্টা নজিরবিহীন। তবে সময় যত এগিয়ে আসছে ততই তিনি ভাঙছেন বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

গত ৩ নভেম্বর ভোটের দিনের পর থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হননি ট্রাম্প। ফের তিনি প্রশ্ন নিলেন বৃহস্পতিবার। সেখানেই তাঁকে পরশ্ন করা হয়, ইলেক্টোরাল কলেজ যদি বাইডেনের জয় নিশ্চিত করে, তবে কি তিনি হোয়াইট হাউস ছেড়ে চলে যাবেন? ট্রাম্প এর জবাবে বলেছেন, 'অবশ্যই'। তবে তিনি তো ডোনাল্ড ট্রাম্প, তাই পরক্ষণেই বলেছেন, 'যদি তারা তা করে, তবে তারা বড় ভুল করবে। তা মেনে নেওয়া খুব কঠিন হবে।' তিনি আরও যোগ করেন, '২০ জানুয়ারির মধ্যে অনেক কিছু ঘটবে'।

গত ৩ নভেম্বর ভোটগ্রহণের পর ৩দিন ধরে চলেছিল গণনা। তারপর জানা গিয়েছিল ট্রাম্প পেয়েছেন ২৩২টি ভোট, আর বাইডেন ৩০৬টি। কিন্তু, তারপরেও ট্রাম্প পরাজয় মেনে নিচ্ছেন না। উল্টে প্রমাণ ছাড়াই নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ করছেন। যে মার্কিন ভোট-কাঠামো তাঁকে ৪ বছর আগে বিজয়ী করেছিল, সেই নির্বাচনী কাঠামোকেই তিনি 'তৃতীয় বিশ্বের দেশের মতো' বলেছেন। এই অবস্থায় হোয়াইট হাউসের দখল কে পাবেন, অর্থাৎ মার্কিন ভোটের বিজয়ী নির্ধারণে মার্কিন ইলেক্টোরাল কলেজ আগামী ১৪ ডিসেম্বর বৈঠক করবে।