পুতুলের কাণ্ডে ঘুম ছুটেছে পরিবারের। ক্রিসমাসে মেয়েকে কিনে দেওয়া হয়েছিল এই পুতুল। নিজে থেকেই নাকি কথা বলে ওঠে। দুইবার ফেলে দেওয়ার পরও পুতুলটি ফিরে এসেছে বলে দাবি।   

ক্রিসমাসে মেয়েকে আদর করে কিনে দিয়েছিলেন ডিজনি-র 'ফ্রোজেন' চলচ্চিত্রের 'এলসা' চরিত্রের একটি পুতুল। কিন্তু এই পুতুলই এখন রাতের ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনের ম্য়াডোনিয়া পরিবারের। তাদের দাবি পুতুলটি ভুতুরে এবং দুই-দুইবার পুতুলটি ফেলে দেওয়া সত্ত্বেও কোনও না কোনওভাবে পুতুলটি তাদের বাড়িতে ফিরে এসেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মেয়ে অরেলিয়া-র জন্য পুতুলটি কিনে এনেছিলেন তাঁর মা এমিলি ম্যাডোনিয়া। পুতুলটির নেকলেসে একটি বোতাম ছিল, যা টিপলে পুতুলটি প্রোজেন সিনেমার কিছু পরিচিত সংলাপ ও সিনেমাটির জনপ্রিয় গান 'লেট ইট গো' গাইতে পারত। কিন্তু, হঠাৎ একদিন বোতাম টেপার পর পুতুলটি ইংরাজির বদলে স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলতে শুরু করে। এমিলি-র দাবি, বোতামটি টিপে বন্ধ করে দেওয়ার পর, এমনকি ব্য়াটারি খুলে নেওয়ার পরও পুতুলটির স্প্যানিশ বলা বন্ধ হয়নি।

এরপরই পুতুলটি ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ওই পরিবার। সেইমতো শক্ত করে অন্যান্য আবর্জনার সঙ্গে একটি ব্যাগে জড়িয়ে সেটিকে ময়লা ফেলার বালতিতে রেখে দেন এমিলি। পরদিন আবর্জনা সংগ্রহ করার সময় পুতুলটিকেও নিয়ে যায় পুরকর্মী। এরপর ওই পরিবার কয়েকদিনের জন্য ছুটি কাটাতে শহরের বাইরে গিয়েছিল। পুতুলটির কথা তারা ভুলেই গিয়েছিল। কিন্তু ফিরে এসে অরেলিয়া তাদের বাড়ির পিছনের লনে ফের 'এলসা' পুতুলটি দেখতে পায়।

ভুতুড়ে পুতুলটির হাত থেকে মুক্তি পেতে এরপর ১৫০০ মাইল দূরে তার এক বন্ধুর কাছে পুতুলটি পাঠিয়ে দেন এমিলি। তার সেই বন্ধু গাড়ির বনেটের সঙ্গে বেঁধে রেখেছিলেন, পুতুলটিকে। কিন্তু তারপরেও ফের তাদের বাড়িতে ফিরে আসে 'এলসা'। এরপরই 'ভুতুড়ে পুতুল'-এর হাত থেকে রক্ষা পেতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহায্য চান এমিলি। তাঁর এই পোস্টটি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। অনেকেই পরামর্শ দিয়েছেন পুতুলটি পুড়িয়ে দেওয়ার। কিন্তু, ওই পোস্টটি হঠাতই মুছে দিয়েছেন এমিলি। তারপর থেকে তাদের আর কোনও খবর এখনও পাওয়া যায়নি।