আবারও কাঠগড়ায় দাড়াতে হল চিনা অ্যাপ টিকটককে। গত ১৮ মাস ধরে গ্রহকের তথ্য চুরি করছে টিকটক, তেমনই দাবি করেছে একটি সূত্র। সেই  অভিযোগ অনুযায়ী ১৮ মাসেরও বেশি সময় ধরে সমস্ত নীতি লঙ্ঘন করে ব্যবহারকারীদের ম্যাক ঠিকানা সংগ্রহ করেছে টিকটক অ্যানরয়েড অ্যাপ। 

ম্যাক ঠিকানা-- মূল উদ্দেশ্যই হল প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে তার ডিভাইসের মাধ্যমে আলাদা আলাদা করে চিহ্নিত করা। এর মূল্য উপলক্ষ্য হল বিজ্ঞাপণ প্রচার করার। প্রয়োজন অনুসারে গ্রাহককে ট্র্যাকিং করা। মূলত গ্রাহকদের তথ্য সরবরাহ করা হত বিজ্ঞাপণী সংস্থাগুলিকে। 

আইএএস অ্যাপ স্টোর আর গুগুল প্লে স্টোর ২০১৫ সাল থেকে ম্যাক ঠিকানা সংগ্রহ করা বন্ধ করে দিয়েছিল। কারণ গ্রহকের ঠিকানা সংগ্রহ করার বেআইনি বলে চিহ্নিত হয়েছিল। তবে টিকটক কিছু নিয়মনীতির ফাঁক গলে এই জাতীয় কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল বলেই অভিযোগ। 

ড্রাগনদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই হিমাচলের আকাশ রাফালের টহল, রাতের অন্ধকারে চলছে মহড়

শীতের সমর সজ্জায় বিশেষ জোর ভারতীয় সেনা বাহিনীর, সিয়াচেনের সঙ্গে প্যাংগং-এও চলছে প্রস্তুতি ...

একটি সূত্র বলছে শুধু টিকটকই নয়। গুগুল প্লে স্টোরটিকে প্রায় ৩৫০টি অ্যাপ পাওয়া গিয়েছে সাধারণত বিজ্ঞাপণের জন্য ম্যাক ঠিকানা সংগ্রহ করত। তবে একটি রিপোর্ট বলছে টিকটক গত নভেম্বরে ম্যাক ঠিকানা সংগ্রহ করার কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। সূত্রটি জানাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমাগত চাপের জন্যই কিছুটা হলেও পিছিয়ে এসেছিল টিকটক। ট্রাম্প প্রশাসনের একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে টিকটকের মূল সংস্থা বাইট ড্যান্সকে। বাইটডান্সে সমস্ত মার্কিন লেনদেন বন্ধ করার দিকেও অগ্রহর হচ্ছে হোয়াইহাউস। 

ড্রাগনদের নিঃশ্বাসে পিছিয়ে আসবে না ভারত, সর্বশক্তি দেবে প্যাংগং-এর আঙুল রক্ষায় ...

তবে টিকটকের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, তারা কোনও গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্যে হাত দেয়নি। ম্যাক মোবাইল অ্যাপলিকেশন ছাড়া অন্যকোনও ডেটা সংগ্রহ করা হয়নি। ব্যবহারকারীর ডেটা সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে ম্যাক ঠিকানা সংগ্রহ করার মূল উদ্দেশ্যই ছিল বিজ্ঞাপণ ট্রাকিং-এর জন্য ব্যবহার করা। বর্তমানে টিকটক ম্যাকের ঠিকানা সংগ্রহ করে না বলেও দাবি করেছে।