সময়টা সত্যি বড় খারাপ যাচ্ছে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের। একে তো মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী লড়াইয়ে জো বাইডেনের কাছে রীতিমত মুখ খুবড়ে পড়েছেন তিনি। অন্যদিকে একের পর এক আদালতের রায়ও যাচ্ছে তাঁর আবেদনের বিপক্ষে। শনিবার পেনসিলভেনিয়ার আদালতও ট্রাম্পের সমর্থদের মাধ্যমে দায়ের হওয়ার মামলা খারিজ করে দিয়েছেন। নির্বাচনী রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা দায়ের করেছিল ট্রাম্প সমর্থকরা। 

রিপাব্লিকানদের দাবি ছিল মেলের মাধ্যমে প্রাপ্ত ব্যালটগুলি ছিল অবৈধ তাই সেই সমস্ত ভোট বাতিল করে আবারও নতুন করে আইনসভাকে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আনুমতির দাবি জানান হয়। এই পিনসিসভেনিয়া থেকে জো বাইডেন প্রায় ৮১ হাজারে ভোটে জিতেছেন। বাইডের জেতার দাবি খারজি করেতে চেয়েছিলেন রিপাব্লিকানরা। কিন্তু তাতে সহমত পোষন করেনি আদালত। পেনসিলভানিয়াতে জয়ের জন্য বাইডেনকে ২৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে সংশাপত্র দিয়েছিল। সেই সংশাপত্র ফিরত নেওয়ার দাবি ছিল মামলাতে। 

জম্মুর আকাশে আবারও পাক ড্রোনের হানা, জঙ্গিরা কি চোখ সরিয়ে নিচ্ছে ভূস্বর্গ থেকে ...

গজনিতে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ, নিরাপত্তা কর্মীদের রক্তে ভিজল আফগান মাটি ...

তবে এটাই প্রথম নয়। এর আগেও  ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মামলাও দায়ের করেছিলেন। জো বাইডের কাথে পরজায় মেনে নিতে পারেননি ট্রাম্প। তাই ভোট গণনার সময় থেকেই হুংকার দিয়ে যাচ্ছেন তিন। কিন্তু তাঁর আবেদনে এখনও পর্যন্ত কর্ণপাত করেনি আদালত। যদিও দিন কয়েক আগেই ট্রাম্প জানিয়েছিলেন তিনি হোয়াই হাউস ছেড়ে দেবেন। পাশাপাশি তিনি শর্ত দিয়েছিলেন ইলেক্ট্ররাল কলেজ যদি বাইডেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করে তবে তিনি সরে দাঁড়াবেন। পাশাপাশি আমেরিকার আগামী প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনকে মনোনীত করা ঠিক হবে না বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। ইলেক্ট্রোলার কলেজের ভোটের নিরীখে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাইডেন। ট্রাম্প দখলে রয়েছে ২৩২ টি আর বাইডেনের দখলে রয়েছে ৩০৬টি ইলেক্ট্রোলার কলেজের ভোট।  ট্রাম্পের থেকে ৬০ লক্ষেরও বেশি পপুলার ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন।