ভারত চিন সমস্যা সমাধানে আগ্রহী আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টভোট প্রচারে যাওয়ার আগে মন্তব্য পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে মার্কিন প্রশাসন 

সীমান্ত নিয়ে চলা ভারত-চিন সমস্যা সমাধানে আগ্রহী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ভোট প্রচারে যাওয়ার আগে আবারও সেই কথাই বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মহামারী পরবর্তী প্রথম সময় শনিবার ওকলাহোমায় প্রথম ভোট প্রচারে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর যাওয়ার পথে তিনি আবারও সীমান্ত নিয়ে চলা ভারত-চিন সমস্যা সমাধানে আগ্রহ প্রকাশ করেন। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এটি একটি কঠিন পরিস্থিতি। আমরা ভারতের সঙ্গে কথা বলছি। পাশাপাশি কথা বলছি চিনের সঙ্গেও। দুটি দেশই একটি বড় সমস্যার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। দুটি দেশ যদি চায় তাহলে সীমান্ত সমস্যা মেটাতে আগ্রহী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। হোটাইহাউস ছেড়ে ওকলাহোমায় যাত্রা শুরুর আগেই তিনি এই কথা জানিয়েছেন সাংবাদিকদের। ভারত চিন পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মত জানতে চাইলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন গোটা পরিস্থিতির ওপরই নজর রাখছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে কী হচ্ছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 


বেশ কয়েক দিন ধরেই দেখা যাচ্ছে পুরো ট্রাম্প প্রশাসনই ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, পূর্ব লাদাখ সীমান্তে চিনা সৈন্য সমাবেশেরও পক্ষে সায়দেয়নি। এক দিন আগেই পার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেয় বলেছিলেন, বিশ্বের সবথেকে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভারত। চিনের পিপিলস লিবারেশন আর্মি সেই ভারতের সঙ্গেই সীমান্ত উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলছে। তাঁর আরও অভিযোগ ছিল চিনের বিরুদ্ধে। তিনি বলেছিলেন, দক্ষিণ চিন সারগরে সামরিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। বেশি এলাকা চিন দখল করে রেখেছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ভূমিকা পছন্দ করছে না চিন। বেজিং-এর পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারত ও তার প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনা বাড়াতে পরোক্ষে সহযোগিতা করছে। এই সময় প্রতিটি দেশই করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। 


সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চলতি সপ্তাহে প্রথম দিকেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘক্ষণ দুই রাষ্ট্রপ্রধান টেলিফোনে আলোচনা করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সম্পর্ক খুবই ভালো। তাই প্রথম থেকেই ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।