ভারতের পথে হেঁটে চিনা অ্যাপ বাতিলের ইঙ্গিত দেওয়ার একদিন পরই ফের চিনের উপর আরও এক আঘাত হানার ঘোষণা করলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রী মাইক পম্পেও, যাকে বলা যেতে পারে চিনের উপর আমেরিকার 'ভিসা স্ট্রাইক'।  চিনা সরকারের বিরুদ্ধে তিব্বতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুরোনো অভিযোগকে খুঁচিয়ে তুলেছেন পম্পেও। তিনি বলেছেন, বেজিং তিব্বতে মার্কিন কূটনীতিক, সাংবাদিক এবং পর্যটকদের যেতে দেয় না, তাই আমেরিকাও কয়েকজন চিনা কর্মকর্তাদের ভিসা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পম্পেও বলেন তিব্বতিদের 'অর্থবহ স্বায়ত্তশাসন' দিতে হবে। তাদের মৌলিক মানবাধিকারের দাবিকে সমর্থন এবং সম্মান করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

পম্পেও বলেছেন, উপমহাদেশের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পক্ষে তিব্বতে বিদেশিদের যাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। চিন যেমন একদিকে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছে, তেমনই এশিয়ার প্রধান নদীগুলির উৎসাঞ্চলে পরিবেশের অবক্ষয় রোধেও তারা ব্যর্থ। তাই তিব্বতে বিদেশিদের প্রবেশের নীতি তৈরি বা প্রয়োগের সঙ্গে জড়িত  চিন সরকার এবং চিনা কমিউনিস্ট পার্টির কর্তাদের উপর ভিসা নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চিন সম্পর্ক গতত বেশ কয়েক বছরে এই মুহূর্তে একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। বাণিজ্য ক্ষেত্রে দুই দেশের প্রতিযোগিতা ছিলই। তার উপর চিন থেকে শুরু হওয়া করোনভাইরাস মহামারি সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই। এর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনিক বিভিন্ন কর্তাব্যক্তি বারবারই মহামারি সম্পর্কে বেজিং-এর বিরুদ্ধে অস্বচ্ছতার অভিযোগ এনেছে।