পোষা পাইথনে প্রাণ গেল যুবতীর। ভালোবাসা না শখ, নাকি দুটোই যে কারণে ঘরে একাধিক সাপ রেখেছিলেন আমেরিকায় ইন্ডিয়ানার মহিলা লুউরা হাস্ট। হাস্টের ব্যক্তিগত জীবন বলতে ছিল ওই সাপদের পরিচর্চা করা। শোনা যায় মাঝে মাঝে ওই সাপেদের আদরও করেন। খেলাও করেন সাপেদের সঙ্গে। সেই সাপই তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াল হাস্টের। মার্কিন পুলিশ নিজের বাড়ি থেকে হাস্টের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।  উদ্ধার করার সময় হাস্টের গলা পেঁচিয়ে ছিল আট ফুটের লম্বা একটি পাইথন। আশেপাশে অনেক সাপ ছিল। সাপের বিষেই হাস্টের মৃত্যু হয়েছে কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

আরও পড়ুন  পশুপ্রেমের মাশুল, খড়দহে আক্রান্ত মা ও ছেলে

আমেরিকার ইন্ডিয়ানায় অক্সফোর্ড অঞ্চলে বাস হাস্টের। হাস্টের প্রতিবেশী কাউন্টি শেরিফ ডন মুনসনের বাস। তিনি প্রথন বুধবার হাস্টের মৃতদেহ দেখতে পান। সেই সময় আট ফুট একটা পাইথন তাঁর গলা জড়িয়ে ছিল। সেই সময় হাস্টের শরীর মেঝেতে পড়ে ছিল। অনেক কষ্টে পাইথনকে হাস্টের গলা থেকে সরানো গেলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। গলায় পাইথনের প্যাঁচের কারণে শ্বাস বন্ধ হয়ে হাস্টের মৃত্যু হতে পারে বলেও স্থানীয় প্রশাসন মনে করছে। পাইথনটি তার মালিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে গলা পেঁচিয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই হাস্টের  মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে। কাউন্টি শেরিফ মুনসন জানিয়েছেন, হাস্টের সম্পর্কে যতটা জানি আমি ইন্ডিয়ানার পুলিশকে জানিয়েছি। মুনসন নিজেও সাপ বিশেষজ্ঞ।  এই কারণে একাধিকবার মার্কিন সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে এসেছেন তিনি। 

আরও পড়ুন রেস্তোরাঁয় হঠাৎ দেখা 'মৃত' প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে, যেন ভূত দেখলেন প্রেমিকা

ইন্ডিয়ানার পুলিশ আধিকারিক রেলি জানিয়েছেন,  হাস্টের ঘর থেকে ১৪০টি সাপের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সব কটি হাস্টের সাপ ছিল কি না পরিষ্কার নয়, তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ২০টি নিজের সাপ। বাকি ১২০টি সাপকে পরিচর্যার জন্য নিজের ঘরে নিয়ে এসেছিলেন হাস্ট। তিনি শুধু সাপ নয়, যে কোনও সরীসৃপের প্রতি তাঁর আলাদা ভালোবাসা ছিল। তিনি প্রায়শই ইন্ডিয়ানার সরীসৃপ সংগ্রহ শালা পরিদর্শন করতেন, সেখানকার সরীসূপদের পরিচর্চা করতেন।