ভোটের প্রচারে গানের তালে কোমর দুলিয়ে নাচ বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষীর। অভিযোগের জেরে ক্লোজ।মুর্শিদাবাদের জমে উঠেছে বিধানসভা ভোটের শেষ মুহূর্তের প্রচার। আর তারই মধ্যে নতুন বিতর্ক দানা বেঁধেছে জেলার রাজনৈতিক মহলে। শেষে কিনা খোদ কংগ্রেসের বিধায়কের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সরকারি পুলিশকর্মী রীতিমতো 'টুম্পা সোনা' গানে কোমর দুলিয়ে নেচেছেন বলেই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। 

আরও পড়ুন, ইদের দিনে সামশেরগঞ্জ -জঙ্গিপুর নির্বাচন ঘোষণা কমিশনের, ক্ষোভ উগরে দিল সংখ্যালঘুরা 


সোশ্যাল মিডিয়ায় হু হু  করে সেই বিতর্কিত ভিডিও ভাইরাল শোরগোল পড়েছে সর্বত্র। যেখানে দেখা যাচ্ছে রাণীনগরে সংযুক্ত মোর্চা সমর্থিত কংগ্রেসের বিদায়ী বিধায়ক তথা এবারের প্রার্থী ফিরোজা বেগমের প্রচার অভিযানের সামনে 'টুম্পা সোনা' গানের তালে মাথায় গামছা জড়িয়ে দিব্যি নেচে চলেছেন ওই কনস্টেবল সজল মন্ডল। ঘটনা প্রকাশ পেতেই রানীনগর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী সৌমিক হোসেনের নির্বাচনী এজেন্ট শাহ আলম সরকার পুরো বিষয়টি নিয়ে বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

আরও পড়ুন, কোভিডে ভয়াবহ অবস্থা, আগামীকাল থেকে বন্ধ রাজ্য়ের সকল সরকারি স্কুল 


এদিকে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই এবং এই ভিডিও ভাইরাল ঘটনা নজরে আসতেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলেই রবিবার জানা যায়। সেক্ষেত্রে অভিযুক্তকে কনস্টেবলকে বিধায়কের নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে তাকে 'ক্লোজ' করা হয়েছে।এ ব্যাপারে মুর্শিদাবাদ জেলার দায়িত্বে থাকা উচ্চ পুলিশ আধিকারিক বলেন,"অভিযোগ পাওয়ার পরেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে"। তৃণমূলের তরফে এ ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে সৌমিক হোসেন বলেন, 'আসলে কংগ্রেস এলাকার ভোটারদের প্রভাবিত করতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মী কে দিয়ে এই জঘন্য কাজ করিয়ে এলাকার ভোটারদের প্রভাবিত করতে চাইছে। আসলে এই ভাবেই কংগ্রেস এই এলাকায় ভোট করে আসছে।'

আরও পড়ুন, আপাতত বিপদ মুক্ত BJP প্রার্থী গোপাল সাহা, আরও ৪৮ ঘন্টা রাখা হবে অবজারবেশনে 


এদিকে ফেসবুক লাইভ এর মাধ্যমে ওই ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরই রাজনৈতিক মহলের মধ্যে ও নানান গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে ওই এলাকায় ভোটকে কেন্দ্র করে। বিধায়ক ফিরোজা বেগম বলেন,' যতটুকু জানি তাতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ঐ কনস্টেবল যুবক হয়তো কোন ভাবে জমায়াতের মাঝে আবেগ তাড়িত হয়ে প্রচলিত গানের তালে নেচে ফেলেছেন। কিন্তু তিনি কাউর কোন ক্ষতি বা কাজে বাধা সৃষ্টি করেননি। হলে এইভাবে একজন নিচুতলার পুলিশকর্মীকে শাস্তির মুখে লঘু পাপে গুরু দণ্ড দেয়াটাও এক্কেবারে ঠিক কাজ নয়।'