নতুন বছরের শুরু থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণের সুর সপ্তমে নিয়ে গিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার মহিষাদলের সভা থেকে আরও একবার নিজের পুরোনো দলকে চাচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার, 'তোলাবাজ ভাইপো' তোপ, মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণের পাশাপাশি উল্লেখজনকভাবে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের আয়ূ কত দিন তাও ঠিক করে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে পাল্টা তোপ দেগেছে শাসক দলও।

মহিষাদলের সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর বেশ কয়েকটা সভা করে ফেললাম। নন্দ্রীগ্রামে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলাম। সেখানে আসার পথে বাসে হামলা হয়েছে। আজকের সভাতেও পতাকা ছেঁড়া হয়েছে। কিন্তু কেনও এই সব করছেন বলেও হুঁশিয়ারী দিয়ে রাখেন শুভেন্দু অধিকারী।  কারণ ১৫ মে-র পর আর তৃণমূল কংগ্রেস থাকবে না বলে, পরিষ্কার জানিয়ে দেন বিজেপি নেতা। তাই বিজেপিতে কর্মীদের হিংসার পথে যেতে নিষেধ করেন শুভেন্দু।

শুধু তৃণমূল কংগ্রেসকে ডেডলাইন বেঁধে দেওয়াই নয়, প্রাক্তন দলকে প্রাইভেট কোম্পানি বলেও অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। কোম্পানির কর্মচারী হয়ে থাকতে চাইনি বলেই দল ছেড়েছি বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতা। একইসঙ্গে 'তোলাবাজ ভাইপো' বলে আক্রমণও জারি রেখছেন শুভেন্দু। গরু পাচার কাণ্ডে লালা, এনামুল, বিনয় মিশ্রের পর তোলাবাজ ভাইপো বলেও তোপ দাগেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে এদিনের ভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে যে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন শুভেন্দু তা রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।