পঞ্চম দফায় নির্বাচন রয়েছে বরাহনগরে সেখানকার বিজেপি প্রর্থী পার্নো মিত্র তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ একজন সাধারণ মানুষের মতই কি রয়েছে তাঁর সম্পত্তির লিস্টে, জেনে নিন

তাপস দাস- জন্ম কলকাতায়, তবে ছোটবেলায় পড়াশোনা করেছেন দার্জিলিংয়ের সাহেবি স্কুলে। কলকাতায় ফিরে প্র্যাট মেমোরিয়লে। ৩৫ বছরের পার্নো মিত্রর রুপোলি যাত্রা শুরু ২০০৭ সালে, খেলা সিরিয়ালে। রবি ওঝা পরিচালিত খেলার পর, ওই একই পরিচালকের মোহনা সিরিয়ালে মুখ্য চরিত্রে রূপদান করেছিলেন, সেরার পুরস্কারও পেয়েছিলেন। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

২০১১ সালে তাঁর বড় পর্দার ব্রেক অঞ্জন দত্তের হাত ধরে। রঞ্জনা আমি আর আসব না। ওই বছরেই মুক্তি পায় মৈনাক ভৌমিক পরিচালিত বেডরুম এবং সুব্রত সেনের কয়েকটি মেয়ের গল্প। 

এ হেন পার্নো কিন্তু সদ্য সদ্য বিজেপিতে যোগ দিয়ে টিকিট পেয়েছেন, ব্যাপারটা মোটেই এরকম নয়। ২০১৯ সালের মাঝামাঝি তিনি ও আরও কয়েকজন রুপোলি পর্দার অভিনেত্রী গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। অবশেষে ২০২১ সালে এসে পার্নোকে বরাহনগর বিধানসভা থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। 

আরও পড়ুন- কেএলও প্রধান জীবন সিংহের কুমারগ্রাম, এবার সেখানেও ছেয়ে গিয়েছে গেরুয়া পতাকায়

আরও পড়ুন- কাল থেকেই উঠবে পথসভার তুফান, কলকাতা এবং আশপশের জন্য নয়া কৌশল সাজাচ্ছেন অমিত শাহ

প্রচারে গিয়ে তিনি কিন্তু খুব আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দিচ্ছেন না, প্রতিপক্ষ প্রার্থী সম্পর্কে বিষোদগারও করছেন না। নেহাতই নম্রতার সঙ্গে বলেছেন, রাজনীতিতে তিনি নতুন এবং শিখে নেবেন। তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তাপস রায়। পার্নো মেনেই নিচ্ছেন তাপসের অভিজ্ঞতার কথা। তবে দান ছাড়ার পাত্রীও তিনি নন। তাঁর হয়ে বরাহনগর কেন্দ্রে প্রচার করে করে গিয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী। 

"

রুপোলি পর্দার জগতের প্রতিনিধি হলেও, পার্নো কিন্তু কোটিপতি প্রার্থীর তালিকায় পড়ছেন না। হলফনামায় দেখা যাচ্ছে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৬৯ লক্ষ টাকার কিছু বেশি। তাঁর ২০১৮ সালে কেনা একটি সেকেন্ড হ্যান্ড ফোর্ড গাড়ি রয়েছে, আর রয়েছে কর্নফিল্ড রোডের একটি ফ্ল্যাট। গাড়ির বর্তমান বাজারদর ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা আর ফ্ল্যাটের দাম ৫৫ লক্ষ। সোনা যা রয়েছে, তার দাম ৭০ হাজার টাকার মত। গত আর্থিক বছরে তাঁর রোজগার ছিল ১৭ লক্ষ টাকার বেশি। 

কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, সৃজিত মুখার্জি, অঞ্জন দত্তের মত পরিচালকের সঙ্গে কাজ করা অভিনেত্রী পদ্মশিবিরেরর পক্ষে কতটা কার্যকরী হয়ে উঠবেন, তা স্থির হবে পঞ্চম দফার ভোটে, ১৭ এপ্রিল।