প্রথম ও দ্বিতীয় দফার পর তৃতীয় দফা। তাতেও রোখা গেল না অশান্তি। উল্টে প্রথম দুই দফার সব অশান্তিকে ছাপিয়ে গেল তৃতীয় দফা। ভোটার বা দলীয় কর্মীরাই নয়, দিকে দিকে আক্রান্ত হতে হল প্রার্থীদেরও। হুগলির   আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁ-কে ঘিরে বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ। বাঁশ নিয়ে তাঁকে তাড়া করা হয়। ধান জমি দিয়ে দৌড়ে, নিরাপত্তারক্ষীদের সাহায্য নিয়ে কার্যত পালিয়ে বাঁচতে হয় সুজাতাকে। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। 

এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ ও সুজাতা খাঁয়ের স্বামী সৌমিত্র খাঁ। রজনৈতিক দল আলাদা হওয়ায় সুজাতাকে বিধতে ছাড়েননি সৌমিত্র। বলেছেন, দীর্ঘ বছর ধরে ওই গ্রামের বাসিন্দারা ভোট দিতে পারেননি। এবার তারা ভোট দেওয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময় যদি কেউ গ্রামে গিয়ে দাদাগিরি করে, তা কেউ মেনে নেবে না। সুজাতা গ্রামে গিয়ে দাদাগিরি করে ভুল করেছে। আৎর এই ঘটনা সম্পূর্ণ হল সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

সুজাতার মাথায় বাঁশ দিয়ে মারা হয়েছে। সেই ভিডিও সামনে এসেছে। যদিও সুজাতার বিরুদ্ধে শুধু সৌমিত্র খাঁ সরব হয়েছে এমনটা নয়, গ্রামবাসীরাও একাধিক অভিযোগ করেছে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। গ্রামবাসীদের উপর হামলা তরা হয় বলে অভিযোগ। মেয়েদেরও মারধর করা হয়। এরপরই মারমুখী হয়ে ওঠে গ্রামবাসীরা। তবে পরিস্থিতি যাই হোক, নির্বাচনের দিন সুজাতা সহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা যেভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন, তা গণতন্ত্রের লজ্জা বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞ মহল।