চন্দন নগরের রোড শো থেকে তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর ঘোষালকে (Prabir ghosal) বার্তা দিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 'কোম্পানির কর্মচারী নাকি রাজনৈতিক সহকর্মী হয়ে থাকতে চান', প্রবীর ঘোষালকে মুখ বন্ধ রেখেই সিদ্ধান্ত নিতে বললেন শুভেন্দু। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ভারত বিরোধী শক্তিকে যদি কেউ দমন করে থাকেন, তাহলে তাঁর নাম নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। 

 তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর তাহলে কোন পথে

প্রসঙ্গত, তৃণমূলের সাংগঠনিক রদবদল সহ একাধিক ইস্যুতে বারবার অন্য সুরে কথা বলেন প্রবীর ঘোষাল  (Prabir ghosal)। হুগলির উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল নিয়ে এবার জল্পনা বাড়ছে রাজনৈতিক মহলে। স্থানীয় কানাইপুর এলাকায় রাস্তা সংষ্কার নিয়ে বিধায়কের বিস্ফোরক অভিযোগ, 'আমাকে ভোটে হারানোর জন্য রাস্তা সারানো হচ্ছে না। আমি মুখ খোলার পর কেএমডিএ-র ইঞ্জিনিয়ার কানাইপুরের রাস্তা দেখতে এলে তাঁকে হুমকি দেন প্রধান আচ্ছেলাল যাদব। বিধায়কের নাম তুলে সরাসরি অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলেন। অপরদিকে এদিন হুগলির চন্দননগরে লকেট চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, স্বপন দাশগুপ্তকে সঙ্গে নিয়ে রোড শো করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই রোড শো থেকেই বিধায়ক প্রবীর ঘোষালকে তিনি কার্যত দলত্যাগের ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে গুঞ্জন রাজনৈতিক মহলে। এদিকে বুধবারেই গেরুয়া শিবিরে যোগ দিতে দিল্লি গেলেন শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্ষ। এবার তাহলে কি একই পথে হাঁটবেন প্রবীরও, এ নিয়ে ফিসফিস রাজ্য-রাজনীতিতে।

মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর


প্রসঙ্গত মঙ্গলবার পুরুলিয়ার জনসভা থেকে বিজেপিকে আক্রমণ করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী  মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় (Mamata Banerjee)বলেন, 'বিজেপি নেতারা নির্লজ্জভাবে নিজেদের স্বার্থপূরণ করতে লোকসভা নির্বাচনের সময় ভুলভাল বুঝিয়ে অনেকের ভোট নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে দিল্লি। বিজেপি হল মাওবাদীর থেকেও ভয়ঙ্কর। বাঁশ হয়ে ঢুকে ফালি হয়ে বেরোবে।' যদিও এর পর পাল্টা আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, 'রাজনৈতিক অস্থিরতা' থেকেই এসব কথা বলছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। মাওবাদী, বিচ্ছিন্নতাবাদী, ভারত বিরোধী শক্তিকে কেউ যদি দমন করে থাকেন, তাহলে তাঁর নাম নরেন্দ্র মোদী।বিজেপি কর্মী হিসেবে নয়, ভারতবাসী হিসেবে বলছি, এমন শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী দেশ আগে দেখিনি।'