নিমতিতায় আইইডি হামলা হয়েছিল মন্ত্রী জাকির হোসেনের উপরতার জের কাটতে না কাটতেই ফের বোমা এবং বিস্ফোরক উদ্ধার মুর্শিদাবাদেএই নিয়ে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক তরজাভোটকে কেন্দ্র করে নাশকতার আশঙ্কা করা হচ্ছে

মাসখানেক আগেই বাংলার শ্রম দফতরের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের উপর প্রাণঘাতী আইইডি হামলা হয়েছিল। সেই বিস্ফোরণের জের কাটতে না কাটতেই ভোটের আগে মুর্শিদাবাদের সীমান্তবর্তী দুই থানা এলাকা থেকে মিলল বিপুল বোমা এবং বিস্ফোরক। যার ফলে, বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া মুর্শিদাবাদ জেলায় ভোটকে কেন্দ্র করে নাশকতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred


মঙ্গলবার, প্রথম ঘটনাটি ঘটে নওদার গোঘাটা এলাকায়। বাসস্ট্যান্ড থেকে কিছুটা দূরে একটা ঝোপের মধ্যে একটি ব্যাগভর্তি বোমা পড়েছিল। এলাকার লোকজনই ব্যাগটি দেখতে পেয়ে পুলিসকে খবর দিয়েছিল। নওদা থানার পুলিস জানিয়েছে ওই ব্যাগে ১০টি শক্তিশালী তাজা সকেট বোমা ছিল। সেগুলি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এরপর, পার্শ্ববর্তী রেজিনগর থানা এলাকা থেকে আবার ২০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বোমা এবং বিস্ফোরক উদ্ধারের পরই এদিন বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় পুলিশ। তবে, কে বা কারা ওই বোমাগুলি রেখে গিয়েছিল, তা এখনও জানা যায়নি।

এদিকে, এই বোমা-বিস্ফোরক উদ্ধার ঘিরে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর ঘোষের অভিযোগ, শাসক দলের মদতে মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন জায়গায় বোমার কারখানা তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে, তৃণমূল নেতা অশোক দাসের বক্তব্য, বিজেপিই বোমা ও পিস্তলের উপর নির্ভর করে রাজনীতি করে। এই জেলায় গেরুয়া দলের কোনও সংগঠন নেই। সেই কারণেই তারা বোমা ও অস্ত্র মজুত করে ভোট দখল করার পরিকল্পনা করেছে।

এই রাজনৈতিক তরজার মধ্যেই এই বোমা-বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে জেলায়। ইতিমধ্যেই, ভোটকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক হিংসার শিকার হয়েছেন বেশ কয়েকজন রাজ্যবাসী। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী এই জেলায় ভোটের দামাম বাজতেই যেভাবে বোমা-বিস্ফোরক দেখা যাচ্ছে, তাতে ভোটের সময় কী অবস্থা হবে, সেই কথা ভেবেই চিন্তায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ।