কেটেও কাটছে না ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার জট। নতুন করে আইনি সমস্যায় পড়ল টেট। ২০১৪ সালের প্রাথমিক নিয়োগের পরীক্ষায় কার্যত স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। ভোটের আগে নতুন করে আইনি জটে পড়ায় নিয়োগ নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কেননা, মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে মার্চ মাস। সেই সময় ভোটের আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হওয়ার সম্ভাবনা।

আরও পড়ুন-লন্ডভন্ড তৃণমূলের পতাকা-ব্যানার, 'দালালি বন্ধ করুন আইসি সাহেব', পুলিশকে শাসানি অখিল-পুত্রর

ডিসেম্বরে আদালতের নির্দেশ দিয়েছিল ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার নিয়োগ শুরু করা যেতে পারে। সেই মতো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হয় কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী। আদালতে তাঁরা দাবি করেন, ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় ৬টি প্রশ্ন ভুল ছিল। সেই প্রশ্নের উত্তরগুলিতে পূর্ণমান পেলে মেধাতালিকায় থাকতে পারেন তাঁরা। এই অবস্থায় সংসদ নিয়োগ চালু করলে মেধা তালিকা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন তাঁরা। 

আরও পড়ুন-তৃণমূলের শান্তি মিছিলে 'গোলি মারো' স্লোগান, 'শাসকদলের বোমা-গুলির সংস্কৃতি', কটাক্ষ দিলীপের

অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ থেকে জানানো হয়েছে, ভুল প্রশ্ন নম্বর দেওয়া হয়নি। সেখানে নম্বর দিলে কতজন মেধা তালিকায় আসতে পারেন। তা এখনই বলা সম্ভব নয়। সংসদের এই বক্তব্য শুনে ফের খাতা দেখার নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজর্ষী ভরদ্বাজ। আগামী মার্চের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে আদালত। তারপরই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। গত ডিসেম্বর ২০১৪ টেট পরীক্ষায় নিয়োগ শুরু হবে বলে নবান্ন থেকে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। কিন্তু ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণ নাও হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।