নন্দীগ্রামের বয়ালে অবাধে বিজেপির বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোট দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিল স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। আর সেই কেন্দ্র পরিদর্শনে দিয়ে আটকে  পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। আর বয়ালের সাত নম্বর বুথের ভোট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে ফোন করে অসন্তুষ্টির কথা জানান। তার পরিপ্রেক্ষিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে রাজ্যেপাল জানিয়েছেন, কিছুক্ষণ আগেই মুখ্যমমন্ত্রীর তরফে যোগাযোগ করা হয়েছিল। আইনের শাসন মেনে চলা হবে বলেও সংশ্লিষ্টদের পূর্ণ আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন এই বিষয়ে তিনি নিশ্চিত যে আইন আইনের পথেই চলবে। গণতন্ত্রকে আরও সমৃদ্ধ করতে সমস্ত উদ্যোগ নেওয়া হবে। 


এদিন আরও একটি টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভোটার হল সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ভোটাদের যাতে কোনও সমস্যা না হয় তারই ব্যবস্থার আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যপাল। তিনি আরও বলেন প্রথম পর্যায়ে স্বতন্ত্র পরিবর্তনের জন্য পরবর্তীকালে আরও পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। এরপরই তিনি রাজ্যের সকল বাসিন্দাদের প্রতি ভোটদানের আহ্বান জানিয়েছেন। 


অন্যদিকে বয়ালের বুথে প্রায় দুঘণ্টা আটকে ছিলেন। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায় প্রায় দুঘণ্টা পরে উদ্ধার করে আনা হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। এদিন সকাল থেকে নন্দীগ্রামের রোয়াপাড়়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অশান্তির খবর পেয়েই বুথ পরিদর্শনে বারিয়ে যান তিনি। সেই সময়ই বয়ালের বুথে আটকে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী।