তৃণমূলের কারোর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ করলেন না। পচে গিয়েছে, দিদি-ভাইপোর কোম্পানি, কাটমানি, তোলাবাজি কিছুই বললেন না। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর মিঠুন চক্রবর্তী শুধু বললেন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়াটা তাঁর 'ভুল সিদ্ধান্ত ছিল'। বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, কারণ তিনি একটা আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন।

রবিবারের ব্রিগেড যতটা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর, প্রায় ততটাই ছিল মিঠুন চক্রবর্তীরও। যোগদানের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানিয়েছেন, ১৮ বছর বয়স থেকে তিনি একটা জিনিসই চাইতেন, দরীদ্র-অভাবী মানুষের পাশে দাঁড়াতে। ব্যক্তিগতভাবে অনেক কাজই করেছেন তিনি। কোনওদিন প্রচার করেননি, তাই কেউ সেই সম্পর্কে জানেন না।

এখন, বাংলায় বিজেপি সরকার আসা নিশ্চিত, বলেই দৃঢ় কন্ঠে জানিয়েছেন 'মহাগুরু'। সেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন, 'বিশ্বের সবচেয়ে বড় নেতা' নরেন্দ্র মোদী। মূলত তাঁকে দেখেই তিনি বাংলার হয়ে কিছু কাজ করার আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন। আর সেই কারণেই গেরুয়া শিবিরে এসেছেন তিনি।

মিঠুন আরও জানিয়েছেন, আগামী ১২ মার্চ থেকেই তিনি বিজেপির হয়ে রাজ্যে প্রচারে নেমে পড়বেন। নির্বাচনে লড়া এমনকী মন্ত্রী কিংবা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি পর্দায় 'এমএলএ ফাটাকেষ্ট'র ভূমিকায় অভিনয় করা মিঠুন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ছোট্ট করে জানিয়েছেন, 'হতেই পারে'। যা থেকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন মিঠুন চক্রবর্তীকেই বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী মুখ হিসাবে তুলে ধরতে পারে বিজেপি।