বিধানসভা নির্বাচনে এবার বাম ও কংগ্রেস জোটবদ্ধভাবে লড়বে তা আগেই নিশ্চিৎ হয়ে গিয়েছিল। সম্প্রতি আসন বন্টন নিয়ে বৈঠকের পর অধীর চোধুরী ও বিমান বসুদের মুখেও শোনা গিয়েছিল কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার কথা। কিন্তু সেদিনের বৈঠকেও আসন বন্টন নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এটি একটি প্রক্রিয়া যা ধীরে ধীরে এগোবে বলেই জানিয়েছিল দুই দলের নেতারা। কিন্তু মালদায় আসন বন্টন নিয়ে ফের প্রকাশ্যে চলে এল জোটের জট।

মালদা জেলায় মোট ১২টি বিধানসভা আসনের বন্টন নিয়ে দুই দলের জেলা নেতৃত্বের মধ্যে চূড়ান্ত মতনৈক্য। জেলার ১০টি আসনেই প্রার্থী দিতে চাইছে কংগ্রেস শিবির। কিন্তু মালতিপুর ও হরিশচন্দ্রপুর আসন দুটি কোনওভাবেই ছাড়তে নারাজ বামফ্রন্টের দুই শরীক আরএসপি ও ফরওয়ার্ড ব্লক। কিন্তু তা ছাড়তে একেবারেই নারাজ কংগ্রেস। জেলার ১২টি আসনেই  বামাদের শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে করা হয়েথে সিপিএমের জেলা কমিটির তরফ থেকে। তাই মালতিপুর ও হরিশচন্দ্রপুর আসনটি তাদের বামেদের ছাড়ার দাবিতে অনড় সিপিএম নেতৃত্ব।

প্রসঙ্গত ২০১৬ সালেও এই দুটি আসন নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। তাই রাজ্য জুড়ে আন সমঝোতা হলেও মালতিপুর ও হরিশচন্দ্রপুরে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই করেছিল বাম-কংগ্রেস। দুটি সিটেই জ.লাভ করে কংগ্রেস প্রার্থী। জেলার ৯টি আসনের মধ্যে ৮টি জিতেছিল হাত শিবির। অপরদিকে গাজল ও হবিবিপুর আসন জেতে বামেরা। ইংরেজবাজের জিতেছিল বাম-কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী। কিন্তু লোকসভা ভোটে বামেদের ফলাফল খারাপ হওয়ায় এবার আসন ছাড়তে নারাজ কংগ্রেস। ফলে অব্যাহত জোটের জট।