লাভ জিহাদ থেকে শুরু করে গরু চোরাচালান- সমস্ত ইস্যুগুলি তুলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সমালোচনা করলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেন রাজনৈতিক স্বার্থে লাভ জিহাদ আর গরু পাচার বন্ধ করতে সক্ষম নয় এই রাজ্যে। মালদাতে বিজেপির ভোট প্রচারে এসে তিনি জনসভা  করেন মালদাতে। 

যোগী আদিত্যনাথ বলেন উত্তর প্রদেশে লাভ জিহাদ নিয়ে আইন হয়েছে। কিন্তু এই রাজ্যে এখনও পর্যন্ত হয়নি। অন্যদিকে গরুর চোরাচালান রুখতেও এই রাজ্যে শক্তোপোক্ত কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এগুলি খুবই বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড। এখনও এই বিষয়ে সতর্ক না হলে আগামী দিনে এর ফল ভোগ করতে হবে রাজ্যের বাসিন্দাদের। তেমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। তিনি আরও বলেন আজ বাংলায় দূর্গা পুজো প্রায় নিষিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। আর ইদের সময় এই রাজ্যে জোর করে গরু জবাই করা হয়। আর রাজ্যসরকার নীরবে সবকিছু দেখে যাচ্ছে। 

এদিন যোগী আদিত্যনাথের ভাষণের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল জয় শ্রীরাম স্লোগানের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন এই রাজ্যে জয়শ্রী রাম স্লোগান তোলা যায় না। এই স্লোগান নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।  তারপরেই তিনি রাজ্যের মু্খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ। তিনি বলেন মমতা দিদি, আপনি জানেন একটা সময় উত্তর প্রদেশে একটা সরকার ছিল যার প্রভু শ্রীরামের ভক্তদের ওপর গুলিচালাতে দ্বিধা বোধ করত না। কিন্তু এখন দেখতে পাচ্ছে সেই দলটির কী অবস্থা হয়েছে। 

ভারতীয় সেনা বাহিনীতে নিয়োগের জাল ব়্যাকেট, ৪-৫ লক্ষ টাকায় প্রশ্ন বিক্রির অভিযোগ ..

আব্বাস সিদ্দিকি-কে নিয়ে এবার কি ফাটল বাম শিবিরে, ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ফ্রন্টের অন্দরে ...

যোগী আদিত্যনাথ বলেন বিজেপির জাতীয় নেতৃত্ব ও দলের কর্মীরা বাঙালি ভাই-বোনেদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে এসেছে। তাদের মূললক্ষ্যই হল বাংলার হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনা। সেই কারণে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনার আর্জিও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, দীর্ঘ দিন ধরে ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাজ্যের নাম উজ্জ্বল ছিল। জাতীয়তাবাদও অন্যন্য রাজ্যগুলিকে প্রভাবিত করত। কিন্তু এখন এখানে নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন যোগী আদিত্যনাথ।