গোটা দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজ্যেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ তীব্রতর হচ্ছে। মহামারির দ্বিতীয় তরঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা ছাপিয়ে যাচ্ছে আগের অবস্থাকেও। এই পরিস্থিতিতেই ভোটের বাংলায় নাম না করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিশানা করেন বিজেপিকে। উত্তরবঙ্গের একটি জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, 'বাংলায় ভোট প্রচারের জন্য শতশত বহিরাগতকে নিয়ে আসা হচ্ছে। বহিরাগতদের মাধ্যমেই বাংলায় করোনাভাইরাসের আমদানি করা হচ্ছে।' এমনই অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

পঞ্চম দফার ভোটই নবান্ন দখলের চাবিকাঠি, তৃণমূল নেত্রী মমতার কাছে কতটা কঠিন এই লড়াই .

জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  সরাসরি করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় তরঙ্গের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকেই দায়ি করেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার যদি সময় মত টিকা দিত তাহলে মহামারির দ্বিতীয় প্রাদুর্ভাব ঘটনা না। জলপাইগুজড়ির তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রদীর বর্মার হয়েই ভোট প্রচারে একথা বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রদীপ বর্মা বর্তমানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু সেকথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেননি। তিনি শুধুই বলেছেন প্রদীপের সর্দি কাশি রয়েছে। আর সেই কারণে তিনি সমাবেশে অংশ নিতে পারেননি। জলপাইগুড়ির মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন এই রাজ্য়ে তাঁর সরকার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রায় কমিয়ে এনেছিল। যদি সকলকে সময়মত টিকা দেওয়া যেত তাহলে এই পরিস্থিতি তৈরি হত না। তিনি আরও বলেন গতবছর কোভিড সংক্রমণের সময় এই রাজ্যে কাউকে দেখা যায়নি। কিন্তু এখন ভোটের সময় বহিরাগতদের আনা হচ্ছে। তাদের মাধ্যমেই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।  

রসেবশে থাকা রাজনীতিবিদ মদন মিত্রের রাজনৈতিক কেরিয়ার অভূতপূর্ব মোডে় দাঁড়িয়ে ...

নতুন বছর বঙ্গের জন্য নতুন শুরু, নববর্ষে টুইট করে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর .

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা স্মৃতি ইরানি বলেছেন, মহামারির জন্য মোদী ও অমিত শাহকে দোষারোপ করছেন মমতা। এই ঘটনায় তিনি খুবই মর্মাহত। জনসভা থেকেই তিনি এজাতীয় কথা বলছেন। যা বলা উচিৎ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন মোদীজি মমতাকে দিদি বলে ডাকেন। আর এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্কর। রাজ্য বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ নারায়ন বলেন, মঙ্গলবার তিন ঘণ্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গান্ধী মূর্তির নিচে ধর্নায় বসে না থেকে স্বাস্থ্য সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারতেন। কারণ এই রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রীও তিনি।