বিধানসভা ভোট যতই এগিয়ে আসছে পারস্পরিক রাজনৈতিক আক্রমণ ততই তীব্র হচ্ছে শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে। সম্প্রতি আক্রমণ পালটা আক্রমণের জোরকদমে শুরু হয়েছে শাসকদল তৃণমূল ও বিজেপির মধ্য়ে। বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের মধ্যস্থতায় যখন শুভেন্দু অধিকারি নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। তৃণমূলে থাকবেন নাকি বিজেপিতে যাবেন তা নিয়ে কোনও কিছুই খোলসা করেননি শুভেন্দু। এই অবস্থায় তৃণমূলের বর্ষিয়ান সাংসদের বুড়ো খোকা বলে কটাক্ষ করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ''তৃণমূলের বুড়ো খোকাদের কথা শুনছে না যুবরা''।

আরও পড়ুন-'বিজেপি-তেই আসবেন শুভেন্দু', মুকুলের মন্তব্যে জল্পনা তুঙ্গে, অপ্রিয় সত্যি অতীনের মুখেও

দিলীপের এই মন্তব্যের পালটা দিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে 'কচি খোকা' বলে দিলীপকে পালটা কটাক্ষ করলেন কল্যাণ। দিলীপ ঘোষকে 'কচি খোকা' মন্তব্য করে তিনি বলেন, '' কচি খোকা নাকি আমাকে বুড়ো বলছে। এর আগে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। কিন্তু, ওর কপালে কণে জোটেনি। উনি এখন বলতে চাইছেন. আমি এখন সভাপতি, আমি এখন ভরপুর হয়ে গিয়েছি। যদি কণে আসে, তাহলে বিয়ে করতে রাজি আছি। উনি বলছেন আমরা সব তৃণমূলের কর্মচারী। আমি বলছি, হ্যাঁ আমরা জনগণের কর্মচারী''।
আরও পড়ুন-'অনেকে আমার মৃত্যু চায়', মমতার কথা শুনে বৈঠকেই কেঁদে ফেললেন বক্সি

শনিবার বাঁকুড়ার তালডাংরা সভা থেকে নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন কল্যাণ। ওই এলাকায় কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে সভা করেছিল তৃণমূল কংগ্রস। সেই সভা থেকেই দিলীপ সহ শুভেন্দিকে নিশানা করেন কল্যাণ। বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলের অনেকে নাকি বেসুরো গাইছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। সে প্রসঙ্গে নাম না করে তাঁদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার বার্তা দেন কল্যাণ। সেই সব বেসুরোদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছেন কল্যাণ ব্যানার্জী। কটাক্ষের সুরে বলেন, ''এখন কেউ কেউ দিনে তৃণমূল, আর রাতে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এঁদের চিহ্নিত করুন। ওনাদের বাড়িতে ঢুকতে দেবেন না''। পাশাপাশি, বাংলায় ৩৫৬ ধারা জারি প্রসঙ্গেও বিজেপিকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেন। আবার, কল্যাণের নিশানায় ছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও।